Dhaka ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ফিফা ঘোষিত বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা পেলেন যারা আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের ‘বাড়াবাড়ি’, ভিডিও-সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : মির্জা ফখরুল এসএসসি’র ফল প্রকাশে বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা, একজন কারাগারে পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঔষধ কারচুপির প্রতিবাদে জাবি চিকিৎসাকেন্দ্রে মানববন্ধন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজবাড়ীতে সিপিবি’র বিক্ষোভ সমাবেশ

ঔষধ কারচুপির প্রতিবাদে জাবি চিকিৎসাকেন্দ্রে মানববন্ধন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 26

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসাকেন্দ্রে ঔষধ কারচুপি, বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সামনে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জাবি ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবির সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্রে ঔষধ সংরক্ষণ, বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি যে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরি বলেন, ‘মেডিকেল সেন্টারে এলে বেশির ভাগ সময় প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যায় না। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলেও বাইরে থেকে করাতে বলা হয়। এমনকি ভর্তির সময় প্রয়োজনীয় ডোপ টেস্টও বাইরে থেকে করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি মেডিকেল সেন্টার চাই, যেখানে প্রয়োজনীয় সব ঔষধ ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে। কিন্তু সেখানে ঔষধ কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

অর্থনীতি বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাযিহা নওয়ার বলেন, ‘চিকিৎসাকেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনা, নারী নির্যাতন কিংবা সাপের কামড়ের মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না। অথচ প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসাকেন্দ্রের বাজেট বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে যদি ঔষধ কারচুপির মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে শিক্ষার্থীদের আস্থা নষ্ট হয়। আমরা অনতিবিলম্বে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঔষধ কারচুপির প্রতিবাদে জাবি চিকিৎসাকেন্দ্রে মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসাকেন্দ্রে ঔষধ কারচুপি, বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সামনে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জাবি ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবির সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্রে ঔষধ সংরক্ষণ, বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি যে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরি বলেন, ‘মেডিকেল সেন্টারে এলে বেশির ভাগ সময় প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যায় না। কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হলেও বাইরে থেকে করাতে বলা হয়। এমনকি ভর্তির সময় প্রয়োজনীয় ডোপ টেস্টও বাইরে থেকে করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি মেডিকেল সেন্টার চাই, যেখানে প্রয়োজনীয় সব ঔষধ ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে। কিন্তু সেখানে ঔষধ কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

অর্থনীতি বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাযিহা নওয়ার বলেন, ‘চিকিৎসাকেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনা, নারী নির্যাতন কিংবা সাপের কামড়ের মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না। অথচ প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসাকেন্দ্রের বাজেট বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে যদি ঔষধ কারচুপির মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে শিক্ষার্থীদের আস্থা নষ্ট হয়। আমরা অনতিবিলম্বে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।’