Dhaka ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশি তরুণী গভীর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি, শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেপ্তার ৭ কিছু ফুটবলারের বুটের গোড়ালির অংশ কাটা থাকার রহস্য কী? যশোরে ১ কোটি ৮ লাখ টাকার সাড়ে ৪টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও কমাতে বিপিপিএকে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশ রাজবাড়ীতে আইডিইবির নতুন জেলা নির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ বন্যা পরিস্থিতি জানাতে কন্ট্রোল রুম চালু বন্যার পানিতে ভেসে গেল তিন হাজার গ্যাস সিলিন্ডার! ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, আর্জেটিনারা বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে: ক্রীড়া প্রতিমন্তী যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সহকারী শিক্ষক কারাগারে

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / 13

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ভারী বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি বেশ কিছু বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

বর্তমানে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ভারী বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি বেশ কিছু বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

বর্তমানে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।