Dhaka ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান মুক্তা গ্রেফতার ৪৯তম বিসিএস থেকে আরও ৪০ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে পাকিস্তান ও তুরস্ক বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / 75

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ভারী বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি বেশ কিছু বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

বর্তমানে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

প্রকাশের সময় : ০২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ভারী বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি বেশ কিছু বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

বর্তমানে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।