Dhaka ০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে হাত দিয়েই প্রত্যাহার হলেন ডিসি সারওয়ার? সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার টুঙ্গিপাড়ায় প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোক কালুখালী বিএনপি নেতা তোতা’র পিতার ইন্তেকাল অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী এনসিপির এমপিদের ৬ জনই নানাভাবে শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল: আব্দুল্লাহ হিল বাকী তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট পুলিশের গুলিতে আহত নয়নের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী দাম কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ দেশভাগ, অনুপ্রবেশ ও বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে হুঁশিয়ারি মোদির

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 19

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।