Dhaka ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬০ কালুখালীর মদাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কুন্নুর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঝিনাইদহে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন রাশেদ খান কালুখালীর হাঁড়ীভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতা’ দমন করা হবে: ডিবিপ্রধান ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল, প্রজ্ঞাপন জারি জাবিতে জঙ্গল থেকে ভোররাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক উন্নত জাতি গড়তে শিক্ষাব্যবস্থায় অবহেলা করা যাবে না: মঈন খান স্ত্রী চাইলে তাৎক্ষণিক পরিশোধ করতে হবে বকেয়া দেনমোহর: হাইকোর্টের রায় দেশকে অস্থির করার জন্য ‘পতিত দোসররা’ নানাভাবে কাজ করছে: রিজভী

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 85

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।