Dhaka ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মান্দায় ৪৬০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ নারী আটক জাবিতে সায়েন্স ক্লাবের ‘ফ্রেশার মাইন্ড হান্টার্স ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ‘লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেব’—ভূমি কর্মকর্তাকে সেবাগ্রহীতার হুমকি কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবাসন শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ রাজবাড়ী উদীচীতে কমরেড কমল কৃষ্ণ গুহকে স্মরণ পরিবেশ কর্মসূচির ব্যানারে জাকসুর নাম বাদ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 59

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব’

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের এমপি পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিশ বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে এমপিকে বলতে শোনা যায়, ‘এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিব।’ এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এমপির আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার তারা মিয়া নামে বিএনপির এক কর্মীর সঙ্গে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের একপর্যায়ে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রদানে এমপি হানজালা মেজাজ হারান। তিনি বলেন, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এ সময় সালিশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হয়। তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরের ধমকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে ভিডিওটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তারা মিয়া বলেন, ‘ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। ওই সালিশ বৈঠকে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিচার চলাকালে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, এমপি সাহেব বিচারের মধ্যে অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিচার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও মতামত আসতেই পারে। একজন বিচারকের দায়িত্ব হলো সেসব কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। তা না হলে সেটি জনসম্মুখের সালিশ না হয়ে ঘরোয়া বা একতরফা বিচার হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।