Dhaka ০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে হাইকোর্টের রুল, গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 10

 

ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে কি না এবং এ বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ কেন নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রবিবার অভিনেত্রী জয়া আহসানের দায়ের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত একই সঙ্গে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১১ মে করা রিটে অসুস্থ প্রাণী মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার অভিযোগে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। পূর্ববর্তী অনুরোধের পরও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় পিটিশনকারীরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়।

পিটিশনকারীরা আরও অনুরোধ করেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীর পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্য-বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হোক।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে হাইকোর্টের রুল, গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে কি না এবং এ বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ কেন নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রবিবার অভিনেত্রী জয়া আহসানের দায়ের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত একই সঙ্গে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১১ মে করা রিটে অসুস্থ প্রাণী মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার অভিযোগে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। পূর্ববর্তী অনুরোধের পরও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় পিটিশনকারীরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়।

পিটিশনকারীরা আরও অনুরোধ করেছেন, এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীর পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্য-বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হোক।