Dhaka ০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের স্বার্থ নষ্ট হয়, এমন চুক্তি করবে না সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁয় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে বাড়ি তুলে দিলেন এমপি স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’ স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের পড়াশোনার খরচ ফ্রি করবো: প্রধানমন্ত্রী ধনী-গরিব চেনে না এআই ক্যামেরা, সড়কে বাড়ছে আইন মানার প্রবণতা ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব ভারতেও পড়ছে: রিজভী ফিডিং কার্যক্রম নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা যাবে রোববার

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / 16

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করার অভিযোগে আসমা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে শরীয়তপুর পৌর এলাকার পালং উচ্চবিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসমা আক্তার স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তিনি বলেন, স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং একপর্যায়ে রাগের মাথায় তিনি স্বামীকে আঘাত করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। এটি দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা আক্তার লোহার রড দিয়ে জিয়া সরদারের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ খণ্ডিত করে একটি ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশায় করে মরদেহের কিছু অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমাকে আটক করে।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকা থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, “স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ড্রামে রাখা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন স্থানে দেহাংশ ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ওই নারীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করার অভিযোগে আসমা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে শরীয়তপুর পৌর এলাকার পালং উচ্চবিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসমা আক্তার স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তিনি বলেন, স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং একপর্যায়ে রাগের মাথায় তিনি স্বামীকে আঘাত করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। এটি দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, গত মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা আক্তার লোহার রড দিয়ে জিয়া সরদারের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ খণ্ডিত করে একটি ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশায় করে মরদেহের কিছু অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমাকে আটক করে।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকা থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, “স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ড্রামে রাখা হয়েছিল। পরে বিভিন্ন স্থানে দেহাংশ ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ওই নারীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।