Dhaka ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 18

পার্লামেন্টে আইন পাশের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলায় মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এরপর আর কোনো কথা হবে না। জামায়াতের পূর্বসূরীরা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি, সেটা বলার আর নৈতিক জায়গা জামায়াতের নেই।

আইনমন্ত্রী বলেন, কেন নেই? এই সংসদে আমরা একটা আইন পাশ করেছি। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন-২০২৬। ওই আইনের মধ্যে একটা সংজ্ঞা আছে। ধারা-২ এর উপধারা-১০ এ বলা আছে। মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশিয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নিজামী ইসলামী পার্টির বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল তারাই মুক্তিযোদ্ধা।

তার মানে দাঁড়ায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। আমরা যখন বিল পাশ করলাম তখন জামায়াতে ইসলামী বিলের বিরোধিতা করেনি। জামায়াতে ইসলামী তখন একবারেই চুপ করেছিল। মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। আর এনসিপি তখন লিখিতভাবে সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কি প্রমুখ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

পার্লামেন্টে আইন পাশের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলায় মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এরপর আর কোনো কথা হবে না। জামায়াতের পূর্বসূরীরা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি, সেটা বলার আর নৈতিক জায়গা জামায়াতের নেই।

আইনমন্ত্রী বলেন, কেন নেই? এই সংসদে আমরা একটা আইন পাশ করেছি। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন-২০২৬। ওই আইনের মধ্যে একটা সংজ্ঞা আছে। ধারা-২ এর উপধারা-১০ এ বলা আছে। মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশিয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নিজামী ইসলামী পার্টির বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল তারাই মুক্তিযোদ্ধা।

তার মানে দাঁড়ায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। আমরা যখন বিল পাশ করলাম তখন জামায়াতে ইসলামী বিলের বিরোধিতা করেনি। জামায়াতে ইসলামী তখন একবারেই চুপ করেছিল। মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। আর এনসিপি তখন লিখিতভাবে সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কি প্রমুখ।