Dhaka ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার মতোই ফাঁকা কমলাপুর রেলস্টেশন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • / 102

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। তবে শুক্রবার সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, আগের কয়েক দিনের তুলনায় যাত্রীচাপ অনেকটাই কম।

স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলোতে উপচেপড়া ভিড় না থাকায় যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবুও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বাসিন্দা আনিসুল হক জানান, সাধারণত তিনি চাঁদ রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। তবে এবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সকালে পরিবারসহ স্টেশনে এসে একতা এক্সপ্রেসের টিকিট নিয়ে যাত্রা করছেন।

কিশোরগঞ্জগামী সবজি বিক্রেতা মতিউর রহমান বলেন, আগেভাগেই তার সব পণ্য বিক্রি হয়ে যাওয়ায় নতুন করে মাল তোলেননি। আজ সহজেই ট্রেনের আসন পেয়ে তিনি বিস্মিত।

এদিকে বেনাপোলগামী যাত্রী হেলাল উদ্দীন ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছেন। পোশাক কারখানার কর্মী শামসুন্নাহার বাসের অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে ট্রেনে করে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

সিএনজি চালক আশরাফুল ইসলাম জানান, ঈদের সময় ঢাকা ফাঁকা থাকায় আয় কমে যায়, তাই তিনিও গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। রাজমিস্ত্রি আসাদুলও কাজ বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ির পথে।

স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় স্বস্তিতে ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঢাকার মতোই ফাঁকা কমলাপুর রেলস্টেশন

প্রকাশের সময় : ১২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। তবে শুক্রবার সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, আগের কয়েক দিনের তুলনায় যাত্রীচাপ অনেকটাই কম।

স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলোতে উপচেপড়া ভিড় না থাকায় যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবুও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বাসিন্দা আনিসুল হক জানান, সাধারণত তিনি চাঁদ রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। তবে এবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সকালে পরিবারসহ স্টেশনে এসে একতা এক্সপ্রেসের টিকিট নিয়ে যাত্রা করছেন।

কিশোরগঞ্জগামী সবজি বিক্রেতা মতিউর রহমান বলেন, আগেভাগেই তার সব পণ্য বিক্রি হয়ে যাওয়ায় নতুন করে মাল তোলেননি। আজ সহজেই ট্রেনের আসন পেয়ে তিনি বিস্মিত।

এদিকে বেনাপোলগামী যাত্রী হেলাল উদ্দীন ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছেন। পোশাক কারখানার কর্মী শামসুন্নাহার বাসের অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে ট্রেনে করে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

সিএনজি চালক আশরাফুল ইসলাম জানান, ঈদের সময় ঢাকা ফাঁকা থাকায় আয় কমে যায়, তাই তিনিও গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। রাজমিস্ত্রি আসাদুলও কাজ বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ির পথে।

স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় স্বস্তিতে ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।