Dhaka ১১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতানিয়াহুর ফাঁদে পা দেবে না তুরস্ক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 1

 

সিরিয়ার পরিত্যক্ত একটি বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করছে, সেখানে তুরস্কের উপস্থিতি রয়েছে। তবে আঙ্কারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর পাতা কোনো ‘ফাঁদে’ পা দেবে না।

ঘটনার সূত্রপাত সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত আবু আল-জুহুর বিমানঘাঁটিকে কেন্দ্র করে। গৃহযুদ্ধের কারণে ২০১২ সাল থেকে এটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সেখানে অপ্রত্যাশিতভাবে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েল। তাদের দাবি, জায়গাটি আবার সচল করার জন্য সম্প্রতি তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল সেখানে পরিদর্শন করেছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, তারা তুরস্কের এমন কোনো সামরিক অগ্রসরতা মেনে নেবেন না।

তবে তুরস্ক এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, হামলার আগে বা পরে তাদের কোনো প্রতিনিধিদল সেখানে যায়নি। তুরস্কের মতে, ইসরায়েলের এই হামলা মূলত সিরিয়ার স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামো ধ্বংস করার একটি চেষ্টা। তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

হামলার পর উত্তেজনা বাড়লেও তুরস্ক পালটা কোনো সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে না। দেশটির যোগাযোগ পরিচালক বুরহানেত্তিন দুরান বিষয়টি বেশ সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, দেশের ভেতরের রাজনৈতিক চাপ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখেই নেতানিয়াহু এমন অযৌক্তিক দাবি করছেন। তুরস্ক যথেষ্ট অভিজ্ঞ একটি দেশ। তাই তারা নেতানিয়াহুর মতো নেতাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নেতানিয়াহুর ফাঁদে পা দেবে না তুরস্ক

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

 

সিরিয়ার পরিত্যক্ত একটি বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েল দাবি করছে, সেখানে তুরস্কের উপস্থিতি রয়েছে। তবে আঙ্কারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর পাতা কোনো ‘ফাঁদে’ পা দেবে না।

ঘটনার সূত্রপাত সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত আবু আল-জুহুর বিমানঘাঁটিকে কেন্দ্র করে। গৃহযুদ্ধের কারণে ২০১২ সাল থেকে এটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সেখানে অপ্রত্যাশিতভাবে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েল। তাদের দাবি, জায়গাটি আবার সচল করার জন্য সম্প্রতি তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল সেখানে পরিদর্শন করেছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, তারা তুরস্কের এমন কোনো সামরিক অগ্রসরতা মেনে নেবেন না।

তবে তুরস্ক এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, হামলার আগে বা পরে তাদের কোনো প্রতিনিধিদল সেখানে যায়নি। তুরস্কের মতে, ইসরায়েলের এই হামলা মূলত সিরিয়ার স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামো ধ্বংস করার একটি চেষ্টা। তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

হামলার পর উত্তেজনা বাড়লেও তুরস্ক পালটা কোনো সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে না। দেশটির যোগাযোগ পরিচালক বুরহানেত্তিন দুরান বিষয়টি বেশ সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, দেশের ভেতরের রাজনৈতিক চাপ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখেই নেতানিয়াহু এমন অযৌক্তিক দাবি করছেন। তুরস্ক যথেষ্ট অভিজ্ঞ একটি দেশ। তাই তারা নেতানিয়াহুর মতো নেতাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় না।