কালুখালীতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা বন্ধের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের ভিন্ন দাবি
- প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
- / 97
বিনা নোটিশে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেট বন্ধ করার অভিযোগ তুলে রাজবাড়ীর কালুখালীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গ্রাহক ও ভুক্তভোগীরা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে, সংশ্লিষ্ট আউটলেটগুলোর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ থাকায় সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কালুখালী উপজেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্যাংকটির গ্রাহক রফিকুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড–এর কালুখালী এজেন্ট শাখার অধীনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৯টি সাব-এজেন্সি শাখা চালু করা হয়। কালুখালী এজেন্সি শাখার পরিচালক রাকিবুল ইসলাম এসব শাখা খোলার ব্যবস্থা সম্পন্ন করেন।
তিনি জানান, সর্বশেষ সাব-এজেন্সি শাখা চালু হয় রায়নগর স্লুইসগেট বাজারে। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে শতাধিক ডিপোজিটধারী গ্রাহক তৈরি হয় এবং আমানতের পরিমাণ দুই কোটির বেশি টাকায় দাঁড়ায়। শাখাটির পরিচালক ছিলেন রাসেদ আহমেদ।
অভিযোগ করা হয়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার লিখিত নোটিশ বা পূর্বঘোষণা ছাড়াই কালুখালী এজেন্ট শাখার পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রায়নগর সাব-এজেন্ট শাখাটি বন্ধ করে দেন। এতে আমানতকারী গ্রাহকদের চাপে পড়েন সাব-শাখার পরিচালক রাসেদ আহমেদ। গ্রাহকদের চাপের মুখে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম মিলন বলেন, সাব-এজেন্সি শাখা বন্ধ থাকায় কালুখালী এজেন্সি শাখা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ডিপোজিটধারীদের প্রায় দুই কোটি টাকার বিপরীতে লভ্যাংশ প্রতি মাসে রাকিবুল ইসলামের হিসাবে জমা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, বিনা নোটিশে সাব-এজেন্সি শাখা বন্ধ করা ব্যাংকিং আইনের পরিপন্থী এবং এতে জনভোগান্তি ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। জনস্বার্থে শাখাটি পুনরায় চালুর দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম, রাসেদুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে এ বিষয়ে কালুখালী প্রধান শাখার পরিচালক এস এ রাকিব ভিন্ন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, আউটলেট বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আউটলেট গ্রাহকদের সঙ্গে একাধিক প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে তাদের লেনদেন স্থগিত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো গ্রাহকের আমানত জমা থাকলে দেশের যেকোনো শাখা থেকে তা উত্তোলন করা যাবে। গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ধরা পড়ার পর সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন অজুহাত দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

























