বসন্ত আর ভালোবাসা যেন একই সুতোয় বাঁধা
- প্রকাশের সময় : ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 108
ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবসের শুরু নিয়ে প্রচলিত কিংবদন্তি আছে। রোমান ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন তৃতীয় শতাব্দীতে তরুণদের বিয়ে নিষিদ্ধ করা সম্রাট ক্লডিয়াস দ্বিতীয়কে অমান্য করে যুগলদের গোপনে বিয়ে পড়াতেন। ২৬৯ খ্রিষ্টাব্দে তার মৃত্যুদণ্ড হয়, আর পরে ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে পোপ গেলাসিয়াস দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
বাঙালির সংস্কৃতিতে বসন্ত মানে নতুনের আহ্বান। শীতের ধূসরতা পেরিয়ে প্রকৃতি নতুন পাতা ও ফুলে সাজে, যা মানুষের মনেও সজীবতা ও ভালোবাসার অনুভূতি জন্ম দেয়। ভালোবাসা দিবস আর পহেলা ফাল্গুন প্রায় একই সময়ে পড়ায় পাশ্চাত্যের ভ্যালেন্টাইন ও প্রাচ্যের বসন্ত এক অনন্য আবহে মিলিত হয়।
সাহিত্য ও সংগীতে বসন্ত আর ভালোবাসার সংযোগ দৃঢ়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বসন্তগীতি প্রেম, বিরহ ও মিলনের আবহ ফিরিয়ে আনে।
মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের মুড ও আবেগের সম্পর্ক আছে; রোদেলা আবহাওয়া ও উজ্জ্বল রং ইতিবাচক অনুভূতি বাড়িয়ে সম্পর্কের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
আজকের ভালোবাসা দিবস শুধুই আমদানি করা উৎসব নয়। এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারের অংশ হয়ে গেছে। ফুল, হাতে লেখা চিঠি বা একসঙ্গে হাঁটা—সবই ভালোবাসার ভাষা। ভালোবাসার জন্য আলাদা দিন লাগে না, তবুও একটি দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয় সম্পর্ককে যত্নে রাখার কথা। বসন্ত যেমন পুরোনো ঝরিয়ে নতুনের আহ্বান জানায়, তেমনি ভালোবাসাও শেখায় নতুন করে শুরু করতে।




















