Dhaka ১১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

রাবিতে “ক্যাম্পাস ফুড স্টল মনিটরিং প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত

রাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 104

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ক্যাম্পাসের খাবার দোকানগুলোর স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে “ক্যাম্পাস ফুড স্টল মনিটরিং প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে রবীন্দ্রভবন সংলগ্ন অঞ্চল পর্যন্ত ২০টিরও বেশি খাবার দোকানে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্যরা।

মনিটরিং কার্যক্রমে দোকানিদের নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত, পরিবেশন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং হাইজিন বজায় রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দোকানি ও বিক্রেতাদের মধ্যে মাস্ক ও হেয়ার ক্যাপ বিতরণ করা হয়।

কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রশাসন সবসময় এমন কার্যক্রমের পাশে থাকবে।”

প্রশিক্ষণ সেশনে মো. আহসান হাবীব খাদ্য নিরাপত্তা, সঠিক সংরক্ষণ ও পুষ্টি–বিষয়ক দিকগুলো তুলে ধরেন। সহ–সভাপতি আহসান হাবিব বলেন, “এই ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালানো হবে। প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলে খাদ্য নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

ছাত্র উপদেষ্টা আশিকুর রহমান অন্তর জানান, “আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা। এজন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।”

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আরিফুর ইসলাম বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা ও সচেতনতা আমাদের সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিতভাবে এসব কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করা যাবে।”

প্রশিক্ষণ সেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কনটেন্ট রাইটিং অ্যান্ড ক্রিয়েশন কো-অর্ডিনেটর ফারহানা জুথি, এক্সিকিউটিভ মেম্বার আয়েশা, আহেদুল ইসলাম, সামসুন্নাহার সুইটি, নূর আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসনের সহযোগিতা মিললে ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও বড় পরিসরে কাজ করা সম্ভব হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাবিতে “ক্যাম্পাস ফুড স্টল মনিটরিং প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ক্যাম্পাসের খাবার দোকানগুলোর স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে “ক্যাম্পাস ফুড স্টল মনিটরিং প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে রবীন্দ্রভবন সংলগ্ন অঞ্চল পর্যন্ত ২০টিরও বেশি খাবার দোকানে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্যরা।

মনিটরিং কার্যক্রমে দোকানিদের নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত, পরিবেশন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং হাইজিন বজায় রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দোকানি ও বিক্রেতাদের মধ্যে মাস্ক ও হেয়ার ক্যাপ বিতরণ করা হয়।

কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রশাসন সবসময় এমন কার্যক্রমের পাশে থাকবে।”

প্রশিক্ষণ সেশনে মো. আহসান হাবীব খাদ্য নিরাপত্তা, সঠিক সংরক্ষণ ও পুষ্টি–বিষয়ক দিকগুলো তুলে ধরেন। সহ–সভাপতি আহসান হাবিব বলেন, “এই ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালানো হবে। প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলে খাদ্য নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

ছাত্র উপদেষ্টা আশিকুর রহমান অন্তর জানান, “আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা। এজন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।”

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আরিফুর ইসলাম বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা ও সচেতনতা আমাদের সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিতভাবে এসব কার্যক্রম চলবে। প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করা যাবে।”

প্রশিক্ষণ সেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কনটেন্ট রাইটিং অ্যান্ড ক্রিয়েশন কো-অর্ডিনেটর ফারহানা জুথি, এক্সিকিউটিভ মেম্বার আয়েশা, আহেদুল ইসলাম, সামসুন্নাহার সুইটি, নূর আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসনের সহযোগিতা মিললে ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও বড় পরিসরে কাজ করা সম্ভব হবে।