চার ক্যাম্পাসে শিবিরের ভূমিধস জয় রহস্যজনক : নুর
- প্রকাশের সময় : ০১:১৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
- / 80
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্প্রতি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রদল ও শিবির নানা বাস্তবতায় এতদিন ক্যাম্পাসে যেতে পারতো না, প্রকাশ্যে পরিচয়ও দিতো না। শিবির তো একেবারে নিষিদ্ধ ছিল। তবুও সব বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের জয়জয়কার, এটা তার কাছে রহস্যজনক।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পলিটিক্স ল্যাব: পাবলিক ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ফ্রেডরিখ এবার্ট স্টিফটুং। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিজিএস-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান।
নুর বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের একেবারে ভূমিধস বিজয় হয়েছে। সবাই জানে, স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা জিতেছে, তারাও শিবিরের নেক্সাসের। প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষিত তরুণরা কেন তাদের ভোট দিল।
তিনি জানান, তার বিশ্লেষণে শিবিরের এই সাফল্যের পেছনে কাজ করছে তাদের ‘কল্যাণভিত্তিক রাজনীতি’। শিবির ছাত্রদের নানা সুবিধা দেয়; যেমন কিছু হাসপাতালে সদস্যদের পরিবার খুব কম খরচে চিকিৎসা পেতে পারে।
নুর বলেন, “সুবিধার বিনিময়ে ভোট দেওয়া হচ্ছে। আমরা যে তরুণদের নিয়ে স্বপ্ন দেখি, তারা যদি সচেতন না হয়, তাহলে অযোগ্য মানুষ নেতৃত্বে চলে আসে।”
সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।
তাসনিম জারা বলেন, “প্রতিবাদ ছাড়া দেশে কিছুই পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামতে হয়।”
কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, “বিদ্যমান সংবিধানের কোথাও গণভোটের কথা নেই। এই গণভোটের প্রয়োজনীয়তা নেই।”
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “আলোচনার টেবিলে সবাই আন্তরিক, কিন্তু টেলিভিশনের সামনে গেলে তারা দলের পক্ষের হয়ে যায়। বাংলাদেশে টেলিভিশন চ্যানেল না থাকলে রাজনীতি সহজ হতো।”
জহির উদ্দিন স্বপন জানান, “ঐকমত্য কমিশন অনৈক্যের দলিল জাতির কাছে হাজির করেছে। জাতীয় নির্বাচনের শাশ্বত পথে প্রবেশ না করা পর্যন্ত কোনো সমাধান আসবে না।”
























