Dhaka ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেল ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ দক্ষিণ চীনে আঘাত হেনেছে টাইফুন ‘নউল’ ফ্রান্স-স্পেনে ভয়াবহ দাবানল: নিরাপদ আশ্রয়ে আড়াই লক্ষাধিক মানুষ শাহজালাল বিমানবন্দরের আগুন নিয়ন্ত্রণে কালীগঞ্জে মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড শফিকুর-নাহিদ-মামুনুল একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার পতন স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান ১৮ বছরের কম বয়সীরা যেন মোবাইল ব্যবহার করতে না পারে: ভূমিমন্ত্রী ৫৬ বছর বয়সে ৩য় বারের মতো বাবা হলেন কাঞ্চন মল্লিক একইসঙ্গে এক যুবককে বিয়ে করলেন ৩ বোন

দলিল লেখক সমিতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বালিয়াকান্দিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 326

 রাজবাড়ীর ৫টি উপজেলায় সাব রেজিষ্ট্রি অফিস ঘিরে দলিল লেখক সমিতি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ভুক্তভোগীরা বলছে, এ সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা। তাদের ধার্য্যকৃত অর্থ প্রদান না করলে দলিল রেজিষ্ট্রি হয় না। এ সিন্ডিকেট এতো শক্তিশালী কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।

রবিবার দুপুরে বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলমান অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি এবং দলিল লেখক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ৫ দফা দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয়রা।

এসময় গওছেল আযম গহের, মিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, ফিরোজ, জমির সহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন যাবৎ নানাবিধ অনিয়ম, ঘুষ-দুর্নীতি ও দলিল লেখকদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সরকারী ফির থেকে অতিরিক্ত টাকা না দিলে দলিল সম্পাদন হয় না। সাধারণ জনগণ নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ এই অনৈতিক দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদের কাজ অকারণে বিলম্বিত বা ঝুলিয়ে রাখা হয় এমনকি দলিল হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে এ ধরনের অনিয়ম জনসেবার মৌলিক অধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করছে।

মানববন্ধনে ৫টি দাবী করা হয়। দাবীগুলো হলো, বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের যাবতীয় কার্যক্রমের প্রতি প্রশাসনিক তদারকি বৃদ্ধি করা। সিন্ডিকেটভুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ। সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে নজরদারি নিশ্চিত করা। দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দলিল লেখক সমিতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বালিয়াকান্দিতে মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

 রাজবাড়ীর ৫টি উপজেলায় সাব রেজিষ্ট্রি অফিস ঘিরে দলিল লেখক সমিতি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ভুক্তভোগীরা বলছে, এ সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা। তাদের ধার্য্যকৃত অর্থ প্রদান না করলে দলিল রেজিষ্ট্রি হয় না। এ সিন্ডিকেট এতো শক্তিশালী কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।

রবিবার দুপুরে বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলমান অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি এবং দলিল লেখক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ৫ দফা দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয়রা।

এসময় গওছেল আযম গহের, মিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, ফিরোজ, জমির সহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন যাবৎ নানাবিধ অনিয়ম, ঘুষ-দুর্নীতি ও দলিল লেখকদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সরকারী ফির থেকে অতিরিক্ত টাকা না দিলে দলিল সম্পাদন হয় না। সাধারণ জনগণ নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ এই অনৈতিক দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদের কাজ অকারণে বিলম্বিত বা ঝুলিয়ে রাখা হয় এমনকি দলিল হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে এ ধরনের অনিয়ম জনসেবার মৌলিক অধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করছে।

মানববন্ধনে ৫টি দাবী করা হয়। দাবীগুলো হলো, বালিয়াকান্দি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের যাবতীয় কার্যক্রমের প্রতি প্রশাসনিক তদারকি বৃদ্ধি করা। সিন্ডিকেটভুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ। সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে নজরদারি নিশ্চিত করা। দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।