Dhaka ১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন রোনালদো: পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের দাবি মাদকবিরোধী বার্তায় বালিয়াকান্দীতে বিবাহিত-অবিবাহিতদের ফুটবল লড়াই বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধে নারী আহত, দেবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি : ইন্টারনেট বন্ধ, আটক সাতশ’র বেশি সরকার দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালুখালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ মামলার পর জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেফতার না ফেরার দেশে ‘বীরাঙ্গনা’ ফুলমতি, শেষ হলো ৪৫ বছরের স্বীকৃতির লড়াই

ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 8

ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই নৌবহর পৌঁছালে অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি আরও বাড়বে।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বাধীন বহর এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর যুদ্ধজাহাজের বহর মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে। এসব জাহাজে মোট সাত হাজারের বেশি নাবিক ও দুই হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন।

মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করতে পারে। বর্তমানে এ অঞ্চলে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ইউএসএস বক্সার উভচর যুদ্ধজাহাজের বহর।

নতুন বহর যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌসেনা ও নাবিকের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি সেখানে শত শত উড়োজাহাজও থাকবে।

ইরানে হামলা বাড়ানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কৌশল জানাতে রাজি হননি তিনি।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর মতে, প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য নয়। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাবও তাঁর কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ নভেম্বরে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলবে কি না, এমন প্রশ্নে প্রথমে ট্রাম্প বলেন, এমনটা হতে পারে। পরে তিনি দাবি করেন, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেই লক্ষ্য নির্বাচনে দলটির জন্য সহায়ক হতে পারে।

প্রাথমিকভাবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা উঠে এসেছে।

সূত্র: গার্ডিয়ান

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী

প্রকাশের সময় : ১০:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই নৌবহর পৌঁছালে অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি আরও বাড়বে।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বাধীন বহর এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বাধীন উভচর যুদ্ধজাহাজের বহর মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হচ্ছে। এসব জাহাজে মোট সাত হাজারের বেশি নাবিক ও দুই হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন।

মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করতে পারে। বর্তমানে এ অঞ্চলে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ইউএসএস বক্সার উভচর যুদ্ধজাহাজের বহর।

নতুন বহর যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌসেনা ও নাবিকের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি সেখানে শত শত উড়োজাহাজও থাকবে।

ইরানে হামলা বাড়ানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কৌশল জানাতে রাজি হননি তিনি।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর মতে, প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য নয়। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাবও তাঁর কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ নভেম্বরে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলবে কি না, এমন প্রশ্নে প্রথমে ট্রাম্প বলেন, এমনটা হতে পারে। পরে তিনি দাবি করেন, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেই লক্ষ্য নির্বাচনে দলটির জন্য সহায়ক হতে পারে।

প্রাথমিকভাবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা উঠে এসেছে।

সূত্র: গার্ডিয়ান