রাজধানীর বাজারে কমেছে মুরগির দাম, বেড়েছে ডিম

- প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
- / 4

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কমেছে। একই সঙ্গে শীতকালীন নতুন সবজির দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কম। তবে সপ্তাহের শুরুতে কমে যাওয়া ডিমের দাম আবার বেড়েছে। পাশাপাশি বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকটও কাটেনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে ডিমের দাম ওঠানামা করছে। সপ্তাহের শুরুতে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ১৫০ টাকা হয়েছে। বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে টানা ছুটির কারণে ডিমের দাম কমেছিল। এরপর আবার প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে।
অন্যদিকে, মুরগির বাজারে দাম কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এর দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেশি ছিল। একইভাবে সোনালী মুরগির দাম কমে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায় নেমেছে। গত সপ্তাহে এ মুরগি বিক্রি হয়েছিল ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে।
সবজির বাজারে দেখা গেছে মিশ্র চিত্র। গ্রীষ্মকালীন কিছু সবজির দাম এখনো বেশি থাকলেও শীতকালীন নতুন সবজির দাম তুলনামূলক কম। বাজারে নতুন আসা ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শিম ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা এনামুল মিয়া বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে শিম ও মুলা আসতে শুরু করেছে। গত বছরের একই সময়ে এসব সবজি আরও বেশি দামে কিনতে হয়েছে।
গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটোল ও ঢ্যাঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে করলা ও বেগুনের দাম এখনো কিছুটা বেশি। এ দুটি সবজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে।
এদিকে, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি। বিশেষ করে সয়াবিন তেল কিনতে ক্রেতাদের একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। বোতলের গায়ে প্রতি লিটারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা লেখা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, কোম্পানিগুলো দোকানে তেল সরবরাহ করছে না এবং মুনাফাও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে তেল সংগ্রহ করে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ কারণে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করতে হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।



















