তিনি হিব্রু, ইংরেজি ও ফারসি- এই তিন ভাষায় হুঁশিয়ারিটি প্রকাশ করেন। তার এই বক্তব্য ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আজিজির হিব্রু ভাষায় দেওয়া পোস্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ভিডিও পুনরায় পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি সমাপনী অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহুর দেওয়া বক্তব্যের অংশ।
ওই অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেন, “এই হুমকি চিরতরে দূর করার একটিই পথ- ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো। সেনাবাহিনী, মোসাদ ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর প্রতি এটাই আমার নির্দেশ।”
ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোর বিষয়ে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের পর আজিজি পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন। তবে ইসরায়েলকে এক ঘণ্টারও কম সময়ে বসবাসের অযোগ্য করে দেওয়ার দাবির পক্ষে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট সামরিক পরিকল্পনা বা সক্ষমতার বিবরণ দেননি।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের নেতাদের এমন বক্তব্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়ে ইসরায়েলি নেতৃত্বের প্রকাশ্য অবস্থান এবং এর জবাবে তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তা দুই দেশের বিরোধের গভীরতাই তুলে ধরছে। সূত্র: আল-জাজিরা
























