Dhaka ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3

তিব্বতে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে।

এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন। তবে কামদো ও নিংচি শহরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তিন শতাধিক বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম পার্বত্য এলাকায় পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালে চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন।

দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত এবং নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। এতে কমপক্ষে ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর শত শত মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

চীনের সবচেয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি তিব্বত। এই অঞ্চলে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

প্রকাশের সময় : ১০:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

তিব্বতে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে।

এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন। তবে কামদো ও নিংচি শহরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তিন শতাধিক বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম পার্বত্য এলাকায় পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালে চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন।

দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত এবং নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। এতে কমপক্ষে ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর শত শত মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

চীনের সবচেয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি তিব্বত। এই অঞ্চলে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি