Dhaka ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৩৪১ হাজিকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 4

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় পবিত্র হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজি হজ প্যাকেজের উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত পাচ্ছেন। তাদের মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এর মধ্যে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ জন হাজির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি হাজিদের টাকা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

রোববার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ও ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী সম্মানিত হাজিদের হজ প্যাকেজের উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজি মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত পাবেন। এই টাকা সংশ্লিষ্ট হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোববার ১০ জন হাজির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। অন্য হাজিদের অর্থ ইএফটি পদ্ধতিতে সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে চলে যাবে।

তবে ২৩ জন হাজির চিকিৎসা ব্যয় তাদের স্বাস্থ্যবিমার অর্থের চেয়ে বেশি হওয়ায় তারা কোনো অর্থ ফেরত পাবেন না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাজিদের অর্থের সঠিক হিসাব দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, হজের ব্যয় কমিয়ে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য হজকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনাকে আগের বছরের তুলনায় আরও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সংস্থা, বিমান পরিবহন, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়েছে।

হজের ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সেবার মান বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। হাজিদের সেবায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের মধ্যে যে অর্থ ব্যয় হয়নি, হিসাব-নিকাশ শেষে সেই উদ্বৃত্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট হাজিদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৪৩৪১ হাজিকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

প্রকাশের সময় : ০১:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় পবিত্র হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজি হজ প্যাকেজের উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত পাচ্ছেন। তাদের মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এর মধ্যে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ জন হাজির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি হাজিদের টাকা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

রোববার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ও ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী সম্মানিত হাজিদের হজ প্যাকেজের উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজি মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত পাবেন। এই টাকা সংশ্লিষ্ট হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।

উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রোববার ১০ জন হাজির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। অন্য হাজিদের অর্থ ইএফটি পদ্ধতিতে সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে চলে যাবে।

তবে ২৩ জন হাজির চিকিৎসা ব্যয় তাদের স্বাস্থ্যবিমার অর্থের চেয়ে বেশি হওয়ায় তারা কোনো অর্থ ফেরত পাবেন না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাজিদের অর্থের সঠিক হিসাব দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, হজের ব্যয় কমিয়ে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য হজকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনাকে আগের বছরের তুলনায় আরও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সংস্থা, বিমান পরিবহন, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়েছে।

হজের ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সেবার মান বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। হাজিদের সেবায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের মধ্যে যে অর্থ ব্যয় হয়নি, হিসাব-নিকাশ শেষে সেই উদ্বৃত্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট হাজিদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।