Dhaka ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাজারের খাদেম হত্যা: দুই জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:১৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় দুই জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক।

অন্যদিকে খালাস পেয়েছেন জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, এর আগে রংপুরের বিশেষ জজ আদালত এ মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে খালাস দিয়েছিলেন। বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার ওই রায় ঘোষণা করেন।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির মধ্যে দুজন—চান্দু মিয়া ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন—পলাতক রয়েছেন। হাইকোর্টের রায়ে তাদের মধ্যে চান্দু মিয়াসহ পাঁচজন খালাস পেয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মাজারের খাদেম হত্যা: দুই জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

প্রকাশের সময় : ০১:১৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় দুই জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক।

অন্যদিকে খালাস পেয়েছেন জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, এর আগে রংপুরের বিশেষ জজ আদালত এ মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে খালাস দিয়েছিলেন। বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার ওই রায় ঘোষণা করেন।

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির মধ্যে দুজন—চান্দু মিয়া ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন—পলাতক রয়েছেন। হাইকোর্টের রায়ে তাদের মধ্যে চান্দু মিয়াসহ পাঁচজন খালাস পেয়েছেন।