Dhaka ১১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জবি আইন ও ভূমি প্রশাসন অ্যালামনাইয়ের সভাপতি রাব্বি, সম্পাদক মারুফ কেয়ামত পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না, চ্যালেঞ্জ দিলাম: ফয়জুল করীম ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমির মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে মারামারি, উপজেলা জামায়াত আমিরসহ ৩ নেতা কারাগারে বিদায়বেলায় কাঁদলেন ইউএনও, চাইলেন দোয়া সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিবার পাবে ‘বিশেষ মানবিক অনুদান’ বাতিল হচ্ছে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘১৮ক’ ধারা তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির এক যুগে পদার্পণ বখতিয়ার-নোমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন

বখতিয়ার-নোমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 8

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. বখতিয়ার ইসলাম ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নোমানের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। এ সময় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘জাস্টিস ফর বখতিয়ার’, ‘জাস্টিস ফর নোমান’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস একসঙ্গে চলে না’ এবং ‘ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চলে, প্রশাসন কী করে?’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।

মানববন্ধন শেষে চার দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে স্থায়ী বহিষ্কার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরের পদত্যাগ, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন ও একাডেমিক সহযোগিতা এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

নোমানের সহপাঠী রহমাতুল্লাহ মাক্কী বলেন, ‘হামলায় জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফুটেজ ও তথ্য নিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানাই; কিন্তু কোনো হামলা, দাঙ্গা-হাঙ্গামার রাজনীতি চলতে পারে না।’

বখতিয়ারের সহপাঠী মনসুর বলেন, ‘৪ আগস্টের ঘটনায় বখতিয়ার ও নোমানকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। হামলার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান তদন্ত ও বিচারিক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন। এর মধ্যে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. বখতিয়ার ইসলাম ও মো. নোমান গুরুতর আহত হন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বখতিয়ার-নোমানের ওপর হামলার প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৮:১৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. বখতিয়ার ইসলাম ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নোমানের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। এ সময় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘জাস্টিস ফর বখতিয়ার’, ‘জাস্টিস ফর নোমান’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস একসঙ্গে চলে না’ এবং ‘ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চলে, প্রশাসন কী করে?’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।

মানববন্ধন শেষে চার দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে স্থায়ী বহিষ্কার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরের পদত্যাগ, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন ও একাডেমিক সহযোগিতা এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

নোমানের সহপাঠী রহমাতুল্লাহ মাক্কী বলেন, ‘হামলায় জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফুটেজ ও তথ্য নিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানাই; কিন্তু কোনো হামলা, দাঙ্গা-হাঙ্গামার রাজনীতি চলতে পারে না।’

বখতিয়ারের সহপাঠী মনসুর বলেন, ‘৪ আগস্টের ঘটনায় বখতিয়ার ও নোমানকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। হামলার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান তদন্ত ও বিচারিক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন। এর মধ্যে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. বখতিয়ার ইসলাম ও মো. নোমান গুরুতর আহত হন।