রেমিট্যান্স এলো ২৮৬ কোটি ডলার, বাড়ল রিজার্ভ
- প্রকাশের সময় : ১১:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 14
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। প্রবাসী আয়ের এ প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাবে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার (গ্রস) রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৮৩ পয়সা বিনিময় হার ধরে)। গত বছরের জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রেমিট্যান্স আসে ২৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে তিন হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। এটি এক অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের রেকর্ড।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ আগস্ট পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণ এবং বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানো সহজ হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের শেষ দুই দিনে প্রবাসীরা প্রায় ১৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা মাসের মোট রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটানো, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক খাতের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





















