Dhaka ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বালিয়াকান্দিতে গাঁজা গাছ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কালীগঞ্জে দুই ক্লিনিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বালিয়াকান্দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, জরিমানা এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ত্রুটি, ৪ শিক্ষককে শোকজ মেসিকে রুখতে কী পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের? দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: গৃহায়ন মন্ত্রী পদ্মার এক পাঙাশ ৩৩ হাজারে বিক্রি শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, দাবি পরিবারের নরসিংদীতে ব্যবসায়ীর কান কামড়ে বিএনপি নেতা বললেন, ‘এলাকা ছাড়’

বন্যা-পাহাড়ধস : এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 23

সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় এখনো এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। দুর্যোগে এ পর্যন্ত ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৯টি উপজেলা, ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে মারা গেছেন ৩১ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙ্গামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুইজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনমসহ চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকিতে একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বন্যা-পাহাড়ধস : এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

প্রকাশের সময় : ১০:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় এখনো এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। দুর্যোগে এ পর্যন্ত ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৯টি উপজেলা, ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে মারা গেছেন ৩১ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙ্গামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুইজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনমসহ চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকিতে একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।