Dhaka ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বালিয়াকান্দিতে গাঁজা গাছ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কালীগঞ্জে দুই ক্লিনিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বালিয়াকান্দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, জরিমানা এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ত্রুটি, ৪ শিক্ষককে শোকজ মেসিকে রুখতে কী পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের? দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: গৃহায়ন মন্ত্রী পদ্মার এক পাঙাশ ৩৩ হাজারে বিক্রি শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, দাবি পরিবারের নরসিংদীতে ব্যবসায়ীর কান কামড়ে বিএনপি নেতা বললেন, ‘এলাকা ছাড়’

শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, দাবি পরিবারের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 13

নরসিংদীর সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পাদনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে শিশুটির পরিবার। একই দাবি করেছে পুলিশও।

জানা গেছে, পাইকারদী এলাকার জহিরুল মিয়া ও সাময়া আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী ছেলে রিজিক জন্মের পর বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এ সময় সংসারের কাজকর্ম নিয়ে সাময়া আক্তারের জা লতা বেগমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়।

পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন ওই বিরোধের জেরে লতা বেগম শিশুটির পায়ে মোচড় দেন। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হলেও পরে ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়, যাতে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার মাধবদী থানা পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। সেখানে শিশুটির পা ভাঙা বা প্লাস্টার করা অবস্থায় থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির বারা জহিরুল মিয়া ও মা সাময়া আক্তার বলেন, যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তা এআই দিয়ে এডিট করা। আমার সন্তানের কোনো পা ভাঙেনি। আপনার নিজে চোখে দেখেন। তার পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার নেই। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমার জাঁ’র সাথে মনোমালিন্য হয়। এর জেরে সে বাচ্চার পায়ে মোচড় দেয়। জাঁ’র বাবা আমাদের বাসায় এসে তাকে বকাঝকা করেছে এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মিমাংসা হয়ে গেছে।

মাধবদী থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: কামাল হোসেন বলেন, তারা এক পরিবারের সদস্য। এক সাথে ব্যবসা, একসাথেই থাকে। সংসারে কাজ-কর্ম নিয়ে জাঁ’র সাথে মনোমালিন্যের জেরে শিশুটির পায়ে মোচর দেয়। পরে সেটা এআই দিয়ে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। শিশুটির পা ভাঙেনি। আমি তাদের বাড়ি গিয়েছি। শিশুটিকে দেখেছি। এ বিষয়য়ে শিশুটির বাবা-মা থানায় এসেছে। তাদের কোনো অভিযোগ নেই বলে আমাদের জানিয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, দাবি পরিবারের

প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীর সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পাদনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে শিশুটির পরিবার। একই দাবি করেছে পুলিশও।

জানা গেছে, পাইকারদী এলাকার জহিরুল মিয়া ও সাময়া আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী ছেলে রিজিক জন্মের পর বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এ সময় সংসারের কাজকর্ম নিয়ে সাময়া আক্তারের জা লতা বেগমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়।

পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন ওই বিরোধের জেরে লতা বেগম শিশুটির পায়ে মোচড় দেন। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হলেও পরে ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়, যাতে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার মাধবদী থানা পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। সেখানে শিশুটির পা ভাঙা বা প্লাস্টার করা অবস্থায় থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির বারা জহিরুল মিয়া ও মা সাময়া আক্তার বলেন, যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তা এআই দিয়ে এডিট করা। আমার সন্তানের কোনো পা ভাঙেনি। আপনার নিজে চোখে দেখেন। তার পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার নেই। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমার জাঁ’র সাথে মনোমালিন্য হয়। এর জেরে সে বাচ্চার পায়ে মোচড় দেয়। জাঁ’র বাবা আমাদের বাসায় এসে তাকে বকাঝকা করেছে এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মিমাংসা হয়ে গেছে।

মাধবদী থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: কামাল হোসেন বলেন, তারা এক পরিবারের সদস্য। এক সাথে ব্যবসা, একসাথেই থাকে। সংসারে কাজ-কর্ম নিয়ে জাঁ’র সাথে মনোমালিন্যের জেরে শিশুটির পায়ে মোচর দেয়। পরে সেটা এআই দিয়ে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। শিশুটির পা ভাঙেনি। আমি তাদের বাড়ি গিয়েছি। শিশুটিকে দেখেছি। এ বিষয়য়ে শিশুটির বাবা-মা থানায় এসেছে। তাদের কোনো অভিযোগ নেই বলে আমাদের জানিয়েছেন।