Dhaka ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 11

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।

রোববার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রুহুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের চাপ কমাতে সরকার কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ঋণনির্ভরতা কমানোই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি জানান, ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় ও ঝুঁকি কমাতে সরকার মিডিয়াম-টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বাড়ার মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় এবং বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ঋণের প্রয়োজন কমে।

সুদ ব্যয়ের চাপ কমাতে সুকুক, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশনসহ বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি কনসেশনাল ঋণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ঋণের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নে ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস পরিচালনা, রফতানি আয়, প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়দেনার ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।

রোববার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রুহুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের চাপ কমাতে সরকার কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ঋণনির্ভরতা কমানোই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি জানান, ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় ও ঝুঁকি কমাতে সরকার মিডিয়াম-টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বাড়ার মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় এবং বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ঋণের প্রয়োজন কমে।

সুদ ব্যয়ের চাপ কমাতে সুকুক, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশনসহ বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি কনসেশনাল ঋণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ঋণের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নে ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস পরিচালনা, রফতানি আয়, প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়দেনার ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।