খামেনির দাফন শেষ হতেই ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, হামলার দায় নাকচ যুক্তরাষ্ট্রের
- প্রকাশের সময় : ১২:১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- / 8
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বুশেহর প্রদেশে বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশ এবং কয়েকটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নিশ্চিত হয়নি।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুশেহরের উপকণ্ঠে একটি সামরিক সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।
বুশেহর প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর এহসান জাহানিয়ান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকা, চোগাদক শহরের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং একটি মাছ ধরার ঘাট লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে দক্ষিণাঞ্চলের কোনারাক শহরেও একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও যুক্তরাষ্ট্র হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেছেন, সর্বশেষ এই হামলার সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
অন্যদিকে ইরানও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশকে দায়ী করেনি। তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক সামরিক অনুষ্ঠানে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আকাশে নিজেদের কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বাহিনী প্রয়োজন হলে তৃতীয় দফা হামলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালীতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতা বাতিলের ঘোষণা দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই চুক্তি বহাল রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

























