Dhaka ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
১৫ আগস্ট ঘিরে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে নিরাপত্তা জোরদার বাংলাদেশের মাটিতে আর কখনো ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না: শামা ওবায়েদ ‘আব্বু, সিএনজি ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছে’—২৬ সেকেন্ডের আকুতির পর শিশুকন্যাসহ মা নিখোঁজ বাংলাদেশ আর ‘ছোট’ দল নয়, সত্যিকারের হুমকি : অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যা, ছেলে আটক সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না : নাহিদ ইসলাম ১৫ আগস্ট ঘিরে মাঠে থাকছে সোয়াট-বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মান্দায় ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন গ্রেফতার জামায়াত নেতার মাদ্রাসায় মিলল সরকারি ১৩ বস্তা বীজ নওগাঁয় ১০ বোতল ফেন্সিডিলসহ তিনজন গ্রেফতার

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 81

নোয়াখালীর চাটখিলে সরকারি খাসজমি দখল করে গড়ে ওঠা বেদে পল্লীর একটি বিলাসবহুল মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আস্তানা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামের বেদে পল্লীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বুলডোজার দিয়ে পুরো স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেদে পল্লীর সাধারণ ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন।

দিন-রাত বহিরাগতদের আনাগোনায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল এবং স্থানীয় যুবসমাজ নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়ছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

গত রবিবার বিকেলে চাটখিল থানা পুলিশ প্রথম দফায় ওই আস্তানায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি এসির রিমোট, নজরদারির কাজে ব্যবহৃত সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাদক ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাতটি মাদক মামলার আসামি ববিতা আক্তার সুমাইয়া পালিয়ে যান। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে আটক করে পুলিশ।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে ওই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। একই স্থানের ওপর দিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চারলেন সড়ক নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে। অবৈধ দখল, মাদক ব্যবসা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। চারলেন সড়কের উন্নয়নকাজ নির্বিঘ্ন করতে এবং এলাকাকে সামাজিক অপরাধমুক্ত রাখতে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ১০:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে সরকারি খাসজমি দখল করে গড়ে ওঠা বেদে পল্লীর একটি বিলাসবহুল মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আস্তানা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামের বেদে পল্লীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বুলডোজার দিয়ে পুরো স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেদে পল্লীর সাধারণ ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন।

দিন-রাত বহিরাগতদের আনাগোনায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল এবং স্থানীয় যুবসমাজ নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়ছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

গত রবিবার বিকেলে চাটখিল থানা পুলিশ প্রথম দফায় ওই আস্তানায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি এসির রিমোট, নজরদারির কাজে ব্যবহৃত সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাদক ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাতটি মাদক মামলার আসামি ববিতা আক্তার সুমাইয়া পালিয়ে যান। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে আটক করে পুলিশ।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে ওই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। একই স্থানের ওপর দিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চারলেন সড়ক নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে। অবৈধ দখল, মাদক ব্যবসা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। চারলেন সড়কের উন্নয়নকাজ নির্বিঘ্ন করতে এবং এলাকাকে সামাজিক অপরাধমুক্ত রাখতে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।