Dhaka ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যা, ছেলে আটক

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 75

ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় শখের বানু নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মাদকাসক্ত ছেলে এখলাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় এখলাস উদ্দিনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

নিহত শখের বানু শ্যামকুড় গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে নেশার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান এখলাস উদ্দিন। টাকা না দেওয়ায় একপর্যায়ে কাঁচি দিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন তিনি। পরে ছোট ছেলের স্ত্রী খাবার দিতে গিয়ে শখের বানুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এখলাস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা না পেলে তিনি প্রায়ই মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও নির্যাতন করতেন।

ঘটনার পর এখলাস উদ্দিন পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ সময় গ্রামবাসী তাকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত এখলাস উদ্দিনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যা, ছেলে আটক

প্রকাশের সময় : ০৯:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় শখের বানু নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মাদকাসক্ত ছেলে এখলাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় এখলাস উদ্দিনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

নিহত শখের বানু শ্যামকুড় গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে নেশার জন্য মায়ের কাছে টাকা চান এখলাস উদ্দিন। টাকা না দেওয়ায় একপর্যায়ে কাঁচি দিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন তিনি। পরে ছোট ছেলের স্ত্রী খাবার দিতে গিয়ে শখের বানুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এখলাস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা না পেলে তিনি প্রায়ই মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও নির্যাতন করতেন।

ঘটনার পর এখলাস উদ্দিন পালিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ সময় গ্রামবাসী তাকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত এখলাস উদ্দিনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।