কাউন্টারে নয়, মাঝপথের যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় : ০৩:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
- / 117
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাস কাউন্টারগুলোতে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মাঝপথে ওঠা যাত্রীদের কাছ থেকে কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।
বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীতে বিআরটিএ’র কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়কে কিছুটা চাপ থাকলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সরকার। বৈরী আবহাওয়ার কারণেও যাত্রী চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তবে গতকাল ৫৭ হাজারের বেশি যানবাহন যমুনা সেতু পারাপার করেছে, যা থেকে বোঝা যায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি বলেন, “টিকিট কাউন্টারে বসে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেয়া হয়েছে—এমন নজির এখনো পাইনি। দু-এক জায়গায় আড়ালে করা হতে পারে। অভিযোগ পেলেই আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
শেখ রবিউল আলম বলেন, অনেক যাত্রী আগেভাগে টিকিট না কেটে শেষ মুহূর্তে বাস ধরতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েন। তখন যেকোনো বাসে ওঠার জন্য তারা অতিরিক্ত ভাড়া দিতেও রাজি হয়ে যান। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেকেই দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি ভাড়া দিয়েও যাত্রা করছেন।
নগরবাসীর প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবহন খাত এখনো প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত সক্ষম নয়। মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা গেলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে। এ লক্ষ্যে সরকার মনোরেল পরিকল্পনা, মেট্রোরেল সম্প্রসারণ এবং রুটভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে মানসম্মত বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আগে প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক ছুটি পান। তাদের বেশিরভাগেরই বাড়ি যাওয়ার জন্য মাত্র একদিন সময় থাকে। ফলে হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক মানুষ সড়কে নেমে পড়লে পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া যোগ হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
বিগত সরকারের নেয়া বিআরটি প্রকল্পের সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি পরিকল্পনার ত্রুটির কারণে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। ফলে সড়কের সক্ষমতা ও যানবাহনের সমন্বয় করে স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিশ্চিত করতে নতুনভাবে ভাবতে হচ্ছে সরকারকে।



















