Dhaka ০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

প্রতারণার নতুন ফাঁদ!

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 140

 একটি মুরগী সাড়ে চারশ ডিম দেয়। এমন ১৬টি মুরগী, দুটি মোরগ ও একটি মুরগীর ঘর দেওয়ার কথা বলে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা এলাকার সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল দুই প্রতারক। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকা থেকে এ অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পাংশা থানার পুলিশ। তারা হলো দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ধুপিপাড়া গ্রামের ্আবু আহমেদের ছেলে আনোয়ার হোসেন ও রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার গোড়াই গ্রামের আবু কালামের ছেলে কামরুল হাসান।
পাংশা থানা সূত্র জানায়, দশ বারো দিন আগে পাংশার সুজানগর গ্রামে দুই ব্যক্তি প্রচারণা চালায় একটি মুরগী চারশ থেকে সাড়ে চারশটি ডিম দেয়। প্রতিটি সদস্য ১৬ টি করে মুরগী, দুটি মোরগ এবং একটি মুরগীর ঘর পাবেন। যার সর্বমোট দাম মাত্র ১২শ টাকা। এই টাকা কিস্তিতে এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। তারা স্থানীয় ২২ জন ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচশ করে মোট ১১ হাজার টাকা নেয় এবং বলে দুই একদিনের মধ্যে তারা সবকিছু দিয়ে যাবে। প্রত্যেককে ‘মায়ের দোয়া মুরগী ফার্ম এন্ড হ্যাচারী’ নামক একটি করে ভিজিটিং করে দিয়ে আসে। যেখানে একটি মোবাইল নম্বর ছিল। কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মুরগী নিয়ে না আসায় তারা কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে বন্ধ পায়। তখন তারা বুঝতে পারে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাংশার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামে একই কৌশলে প্রচারণা করতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। বাহাদুরপুর তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে পাংশা থানায় দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রতœা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার পাংশা থানায় মামলা করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাংশা থানার এসআই চুন্নু শেখ জানান, মানুষের সাথে প্রতারণার কথা তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। মামলা দায়েরের পর শুক্রবার দুই আসামিকে রাজবাড়ীর আদালতে চালান করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রতারণার নতুন ফাঁদ!

প্রকাশের সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 একটি মুরগী সাড়ে চারশ ডিম দেয়। এমন ১৬টি মুরগী, দুটি মোরগ ও একটি মুরগীর ঘর দেওয়ার কথা বলে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা এলাকার সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল দুই প্রতারক। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকা থেকে এ অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পাংশা থানার পুলিশ। তারা হলো দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ধুপিপাড়া গ্রামের ্আবু আহমেদের ছেলে আনোয়ার হোসেন ও রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার গোড়াই গ্রামের আবু কালামের ছেলে কামরুল হাসান।
পাংশা থানা সূত্র জানায়, দশ বারো দিন আগে পাংশার সুজানগর গ্রামে দুই ব্যক্তি প্রচারণা চালায় একটি মুরগী চারশ থেকে সাড়ে চারশটি ডিম দেয়। প্রতিটি সদস্য ১৬ টি করে মুরগী, দুটি মোরগ এবং একটি মুরগীর ঘর পাবেন। যার সর্বমোট দাম মাত্র ১২শ টাকা। এই টাকা কিস্তিতে এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। তারা স্থানীয় ২২ জন ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচশ করে মোট ১১ হাজার টাকা নেয় এবং বলে দুই একদিনের মধ্যে তারা সবকিছু দিয়ে যাবে। প্রত্যেককে ‘মায়ের দোয়া মুরগী ফার্ম এন্ড হ্যাচারী’ নামক একটি করে ভিজিটিং করে দিয়ে আসে। যেখানে একটি মোবাইল নম্বর ছিল। কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মুরগী নিয়ে না আসায় তারা কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে বন্ধ পায়। তখন তারা বুঝতে পারে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পাংশার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামে একই কৌশলে প্রচারণা করতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। বাহাদুরপুর তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে পাংশা থানায় দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রতœা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার পাংশা থানায় মামলা করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাংশা থানার এসআই চুন্নু শেখ জানান, মানুষের সাথে প্রতারণার কথা তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। মামলা দায়েরের পর শুক্রবার দুই আসামিকে রাজবাড়ীর আদালতে চালান করা হয়।