Dhaka ০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি: চূড়ান্ত পর্যায়ে আলোচনা চলছে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 83
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি (Agreement on Reciprocal Tariff) চূড়ান্ত করতে আলোচনা চলছে পুরোদমে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এই আলোচনার সর্বশেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অংশ নেন ইউএস অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেনডন লিঞ্চ।

ড. খালিলুর রহমান জানান, আলোচনা ছিল গঠনমূলক এবং আন্তরিক। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দলের সঙ্গে খুব ভালো অগ্রগতি করেছি। উভয় পক্ষই চুক্তিটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (UNCTAD) সাবেক বাণিজ্য নীতি প্রধান ড. রহমান আরও বলেন, ‘এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মাধ্যমে পারস্পরিক শুল্ক ছাড় সুবিধা নিশ্চিত হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ হবে, একই সঙ্গে বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের নতুন বাজার ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এতে উভয় দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে উভয় দেশের আগ্রহ এবং আলোচনা প্রক্রিয়ার গতি দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, খুব শিগগিরই চুক্তিটি সই হতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বিগত এক দশকে ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি: চূড়ান্ত পর্যায়ে আলোচনা চলছে

প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি (Agreement on Reciprocal Tariff) চূড়ান্ত করতে আলোচনা চলছে পুরোদমে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এই আলোচনার সর্বশেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অংশ নেন ইউএস অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেনডন লিঞ্চ।

ড. খালিলুর রহমান জানান, আলোচনা ছিল গঠনমূলক এবং আন্তরিক। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দলের সঙ্গে খুব ভালো অগ্রগতি করেছি। উভয় পক্ষই চুক্তিটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (UNCTAD) সাবেক বাণিজ্য নীতি প্রধান ড. রহমান আরও বলেন, ‘এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির মাধ্যমে পারস্পরিক শুল্ক ছাড় সুবিধা নিশ্চিত হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ হবে, একই সঙ্গে বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের নতুন বাজার ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। এতে উভয় দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে উভয় দেশের আগ্রহ এবং আলোচনা প্রক্রিয়ার গতি দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, খুব শিগগিরই চুক্তিটি সই হতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক বিগত এক দশকে ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।