Dhaka ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভবঘুরে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরালের পর কিশোর গ্রেফতার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী পাসপোর্ট হারালে মানতে হবে নতুন নিয়ম, পরিপত্র জারি ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হতে না দেয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন তুলল টিআইবি ‘আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় মা ও ভাতিজিকে খুন’ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত কবর থেকে তোলা হবে সেলিম খান ও তার ছেলের মরদেহ গ্রাহকের মৃত্যুতে কিস্তি মওকুফ, আর্থিক সহায়তা দিল ওয়ালটন প্লাজা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাবাসপুরে অবৈধভাবে বালু আনার অভিযোগে আটক ১

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / 216

 রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ বালু চুরি করে আনতে গিয়ে রহিম নামের এক বাটা হাম্বার চালক জনতার হাতে আটক হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরপাড়া গ্রামে পদ্মা নদীর তীরে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সাথে বালু চুরির কাজে ব্যবহৃত বাটা হাম্বারটি জব্দ করেছে পুলিশ।

জানা যায়, হাবাসপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর তীরে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু বিক্রি না করার জন্য নির্দেশ থাকলেও রাতের আধারে বা দিনের বেলায় বালু চোররা তা মানছে না। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-মামুন খান জানান, বালু বিক্রি নিষিদ্ধ করায় বালু পাহাড়ার জন্য দুইজন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে রহিম নামের বাটা হাম্বার চালক বালু কিনতে হাবাসপুরের বালু মহালে গেলে সেখানে কাউকে না পেয়ে নিজেই বালু তুলতে থাকে। এ সময় স্থানীয় জনতা তা দেখতে পেয়ে তাকে হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়। জনতা ও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাটা হাম্বার চালক রহিম জানায়, নলকাদ্রা একটি মসজিদের কাজের জন্য বালু কিনতে সে বালু মহালে গিয়েছিল। কিন্তু বালু মহালে কাউকে দেখতে না পেয়ে সে বিএনপি নেতা চাঁদ আলী খানকে কল দেন। চাঁদ আলী খান তাকে ওখান থেকে বালু নিয়ে আসতে বলেন এবং কেউ কিছু বললে তাকে ফোন ধরিয়ে দিতে বলেন।

 এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থানার এস আই কামাল হোসেন বলেন, হাবাসপুরের পদ্মার তীরে একজন প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য নিষিদ্ধ বালু চুরি করছে বলে পাংশা থানায় খবর আসে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায় এবং সেখান থেকে এক জনকে আটক করি এবং একটি বাটা হাম্বার গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইতিপূর্বে এ বালি চুরির ঘটনায় সেনা ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ২জনকে গ্রেফতার করে এবং পাংশা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তারপর থেকেই ওই বালির স্তুপ ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধায়নে রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

হাবাসপুরে অবৈধভাবে বালু আনার অভিযোগে আটক ১

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ বালু চুরি করে আনতে গিয়ে রহিম নামের এক বাটা হাম্বার চালক জনতার হাতে আটক হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরপাড়া গ্রামে পদ্মা নদীর তীরে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সাথে বালু চুরির কাজে ব্যবহৃত বাটা হাম্বারটি জব্দ করেছে পুলিশ।

জানা যায়, হাবাসপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর তীরে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু বিক্রি না করার জন্য নির্দেশ থাকলেও রাতের আধারে বা দিনের বেলায় বালু চোররা তা মানছে না। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-মামুন খান জানান, বালু বিক্রি নিষিদ্ধ করায় বালু পাহাড়ার জন্য দুইজন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে রহিম নামের বাটা হাম্বার চালক বালু কিনতে হাবাসপুরের বালু মহালে গেলে সেখানে কাউকে না পেয়ে নিজেই বালু তুলতে থাকে। এ সময় স্থানীয় জনতা তা দেখতে পেয়ে তাকে হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়। জনতা ও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাটা হাম্বার চালক রহিম জানায়, নলকাদ্রা একটি মসজিদের কাজের জন্য বালু কিনতে সে বালু মহালে গিয়েছিল। কিন্তু বালু মহালে কাউকে দেখতে না পেয়ে সে বিএনপি নেতা চাঁদ আলী খানকে কল দেন। চাঁদ আলী খান তাকে ওখান থেকে বালু নিয়ে আসতে বলেন এবং কেউ কিছু বললে তাকে ফোন ধরিয়ে দিতে বলেন।

 এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থানার এস আই কামাল হোসেন বলেন, হাবাসপুরের পদ্মার তীরে একজন প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য নিষিদ্ধ বালু চুরি করছে বলে পাংশা থানায় খবর আসে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায় এবং সেখান থেকে এক জনকে আটক করি এবং একটি বাটা হাম্বার গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইতিপূর্বে এ বালি চুরির ঘটনায় সেনা ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ২জনকে গ্রেফতার করে এবং পাংশা মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তারপর থেকেই ওই বালির স্তুপ ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধায়নে রয়েছে।