Dhaka 8:18 am, Tuesday, 29 November 2022

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে-ওবায়দুল কাদের

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : 06:21:57 pm, Saturday, 16 October 2021
  • / 1225 জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু রাজবাড়ীবাসীর প্রাণের দাবি। এবিষয়টি শেখ হাসিনার মাথায় আছে। প্রথম পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিয়ে ভাববো। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সেতু  যদি নাও করতে পারি তাহলে কর্ণফুলির মত টানেল তৈরি করা হবে। রাজবাড়ী ও ফরিদপুরবাসীর প্রতি যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে তা টানেল তৈরির মাধ্যমে পুরণ করা হবে। শনিবার সকালে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি। বিএনপি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে রঙিন চশমার ফাঁক দিয়ে রঙিন খোয়াব দেখছে। ক্ষমতা দখলের করার চেষ্টা করছে।  যেকারণে তারা উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠিকে উস্কে দিচ্ছে। কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।

তিনি বলেন, আজকে এ দুঃসময়ে চারিদিকে সংকট। বাংলাদেশে ক্ষমতা হারিয়ে যারা আন্দোলন, নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বারে বারে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে তারাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। গত ১২ বছরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়নি। ৩০ থেকে ৩৫ হাজার দুর্গাপূজার মন্ডপে ছিটেফোটা সমস্যাও হয়নি। অথচ এবার কুমিল্লায় পরিকল্পিতভাবে আমাদের মুসলমানদের প্রাণের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন দেবীর পায়ের কাছে রেখেছে। কোনো হিন্দু এটা করেছে আমরা বিশ^াস করিনা। এটা সাম্প্রদায়িক শক্তির অপকর্ম। পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির  নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি। বিএনপি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে রঙিন চশমার ফাঁক দিয়ে রঙিন খোয়াব দেখছে। ক্ষমতা দখলের করার চেষ্টা করছে।  যেকারণে তারা উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠিকে উস্কে দিচ্ছে। কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের বেশকিছু জায়গায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা করেছে, প্রতিমা ভাংচুর করেছে, মন্দিরে হামলা করেছে। এই অপশক্তি সবার শত্রু। এদের সমুচিত জবাব দিতে হবে। ঐব্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তিকে প্রতিরোধ করতে হবে।

হিন্দু, মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে আমাদের দেশে। বিএনপি এই সম্প্রীতির মূলে কুঠারাঘাত করছে। বিএনপির উস্কানীতে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি মাঠে নেমেছে। তারা আবার বলছে; সরকার এসব করছে। সরকার কোন দুঃখে এটা করতে যাবে। কোনো দেশের সরকারই তার দেশে অশান্তি চায়না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের সময়ও তারা সহিংসতার দায় সরকারের উপর চাপানোর চেষ্টা করেছে। এসব প্রমাণ করে বিএনপি এসব র্ককান্ডে নেপথ্যে জড়িত। তাদের বক্তব্য অপরাধীদের উৎসাহী করে। এবারও  তাদের বক্তব্য প্রমাণ করে তারা অপরাধীদের শাস্তি চায়না। যারা এসব ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে  সঠিক নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নেপথ্যেও কুশীলবসহ সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। ধর্মের মর্মবাণী উপলদ্ধির মাধ্যমে সকলকে সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তরুণ সমাজকে বলছি, ফেসবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর থেকে সতর্ক হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, দীক্ষা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ কোনোকালেই ছিল না। বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। যারা মেট্রোরেল চায়না, পদ্মা সেতু চায়না। উন্নয়ন দেখে যাদের গাত্রদাহ হচ্ছে তারাই দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে  তথ্য গোপন করে বিতর্কিতদের নাম পাঠাচ্ছেন। আমরা খবর পাচ্ছি। সব পর্যবেক্ষণ করছি। খতিয়ে দেখছি। যেসব নেতারা তথ্য গোপন করে নিজের লোককে চেয়ারম্যান মেম্বার বানানোর জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ পর্যন্ত সাড়ে আটশ অভিযোগ এসেছে। ১৫টির মত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রার্থী বদল করা হয়েছে।

রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পর্কে বলেন, দলে মতভেদ থাকতে পারে। অমিলও থাকতে পারে। তা মিটিয়ে ফেলতে হবে। সমালোচনার চর্চা বন্ধ করতে হবে। রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদ নির্বাচিত হবেন। এ পদের জন্য অনেকেরই মেধা, শ্রম, যোগ্যতা আছে। কিন্তু হবেন মাত্র দুজন। অন্য পদগুলো সমন্বয় করা হবে। নেত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন। শেখ হাসিনা সবাইকে মূল্যায়ন করবেনই। তিনি কাউকে অবমূল্যায়ন করেন না। আপনি ধৈর্য্য ধরলে তার ফল আপনি পাবেন। তার মাথায় সবার কথা আছে।

সকাল ১১টায় রাজবাড়ী শহীদ খুশী রেলওয়ে ময়দানে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অতিথিবৃন্দ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী। আলোচনা সভায় অন্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্ণেল ফারুক খান এমপি, আব্দুর  রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, তথ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম, শাহাবুদ্দিন ফরাজি, ইকবাল হোসেন অপু এমপি, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সালমা চৌধুরী রুমা প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লূল হাকিম এমপি।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি বলেন, কুমিল্লার ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি এ ঘটনা ঘটিয়েছে। একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল তারা এখনও রাজাকার। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজাকারদের পুনর্বাসিত করেছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে-ওবায়দুল কাদের

প্রকাশের সময় : 06:21:57 pm, Saturday, 16 October 2021

জনতার আদালত অনলাইন ॥ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু রাজবাড়ীবাসীর প্রাণের দাবি। এবিষয়টি শেখ হাসিনার মাথায় আছে। প্রথম পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিয়ে ভাববো। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সেতু  যদি নাও করতে পারি তাহলে কর্ণফুলির মত টানেল তৈরি করা হবে। রাজবাড়ী ও ফরিদপুরবাসীর প্রতি যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে তা টানেল তৈরির মাধ্যমে পুরণ করা হবে। শনিবার সকালে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি। বিএনপি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে রঙিন চশমার ফাঁক দিয়ে রঙিন খোয়াব দেখছে। ক্ষমতা দখলের করার চেষ্টা করছে।  যেকারণে তারা উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠিকে উস্কে দিচ্ছে। কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।

তিনি বলেন, আজকে এ দুঃসময়ে চারিদিকে সংকট। বাংলাদেশে ক্ষমতা হারিয়ে যারা আন্দোলন, নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বারে বারে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে তারাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। গত ১২ বছরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়নি। ৩০ থেকে ৩৫ হাজার দুর্গাপূজার মন্ডপে ছিটেফোটা সমস্যাও হয়নি। অথচ এবার কুমিল্লায় পরিকল্পিতভাবে আমাদের মুসলমানদের প্রাণের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন দেবীর পায়ের কাছে রেখেছে। কোনো হিন্দু এটা করেছে আমরা বিশ^াস করিনা। এটা সাম্প্রদায়িক শক্তির অপকর্ম। পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির  নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি। বিএনপি নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে রঙিন চশমার ফাঁক দিয়ে রঙিন খোয়াব দেখছে। ক্ষমতা দখলের করার চেষ্টা করছে।  যেকারণে তারা উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠিকে উস্কে দিচ্ছে। কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের বেশকিছু জায়গায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা করেছে, প্রতিমা ভাংচুর করেছে, মন্দিরে হামলা করেছে। এই অপশক্তি সবার শত্রু। এদের সমুচিত জবাব দিতে হবে। ঐব্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তিকে প্রতিরোধ করতে হবে।

হিন্দু, মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে আমাদের দেশে। বিএনপি এই সম্প্রীতির মূলে কুঠারাঘাত করছে। বিএনপির উস্কানীতে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি মাঠে নেমেছে। তারা আবার বলছে; সরকার এসব করছে। সরকার কোন দুঃখে এটা করতে যাবে। কোনো দেশের সরকারই তার দেশে অশান্তি চায়না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের সময়ও তারা সহিংসতার দায় সরকারের উপর চাপানোর চেষ্টা করেছে। এসব প্রমাণ করে বিএনপি এসব র্ককান্ডে নেপথ্যে জড়িত। তাদের বক্তব্য অপরাধীদের উৎসাহী করে। এবারও  তাদের বক্তব্য প্রমাণ করে তারা অপরাধীদের শাস্তি চায়না। যারা এসব ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে  সঠিক নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নেপথ্যেও কুশীলবসহ সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। ধর্মের মর্মবাণী উপলদ্ধির মাধ্যমে সকলকে সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তরুণ সমাজকে বলছি, ফেসবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর থেকে সতর্ক হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, দীক্ষা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ কোনোকালেই ছিল না। বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। যারা মেট্রোরেল চায়না, পদ্মা সেতু চায়না। উন্নয়ন দেখে যাদের গাত্রদাহ হচ্ছে তারাই দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে  তথ্য গোপন করে বিতর্কিতদের নাম পাঠাচ্ছেন। আমরা খবর পাচ্ছি। সব পর্যবেক্ষণ করছি। খতিয়ে দেখছি। যেসব নেতারা তথ্য গোপন করে নিজের লোককে চেয়ারম্যান মেম্বার বানানোর জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ পর্যন্ত সাড়ে আটশ অভিযোগ এসেছে। ১৫টির মত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রার্থী বদল করা হয়েছে।

রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পর্কে বলেন, দলে মতভেদ থাকতে পারে। অমিলও থাকতে পারে। তা মিটিয়ে ফেলতে হবে। সমালোচনার চর্চা বন্ধ করতে হবে। রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদ নির্বাচিত হবেন। এ পদের জন্য অনেকেরই মেধা, শ্রম, যোগ্যতা আছে। কিন্তু হবেন মাত্র দুজন। অন্য পদগুলো সমন্বয় করা হবে। নেত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন। শেখ হাসিনা সবাইকে মূল্যায়ন করবেনই। তিনি কাউকে অবমূল্যায়ন করেন না। আপনি ধৈর্য্য ধরলে তার ফল আপনি পাবেন। তার মাথায় সবার কথা আছে।

সকাল ১১টায় রাজবাড়ী শহীদ খুশী রেলওয়ে ময়দানে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অতিথিবৃন্দ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী। আলোচনা সভায় অন্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্ণেল ফারুক খান এমপি, আব্দুর  রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, তথ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম, শাহাবুদ্দিন ফরাজি, ইকবাল হোসেন অপু এমপি, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সালমা চৌধুরী রুমা প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লূল হাকিম এমপি।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি বলেন, কুমিল্লার ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি এ ঘটনা ঘটিয়েছে। একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল তারা এখনও রাজাকার। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজাকারদের পুনর্বাসিত করেছিলেন।