Dhaka ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু ডাকসুর কর্মকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রশাসনের গৃহকর্মী তানিয়ার শরীরজুড়ে খুন্তির ছ্যাঁকা, মাথায় গুরুতর আঘাত, পচন ধরেছে দুই পায়ে কালীগঞ্জে নতুন ভবন বরাদ্দে বিদ্যালয়ে মতবিনিময় ও সংবর্ধনা উত্তপ্ত ইয়েমেন: বাস্তুচ্যুত প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার আদালত জাবিতে দোকান নিয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর নওগাঁয় দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার, মোবাইল ও মোটরসাইকেল উদ্ধার কাবিননামায় আগের বিয়ে-সন্তানের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের রুল

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার আদালত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 12

পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি কর পরিশোধ করা সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবির বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের পৃথক আবেদন সোমবার কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগেরে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুস সামাদ আজাদ।

পরে আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চেম্বার জজ বললেন- যেহেতু হাইকোর্ট এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ রায় দেননি এবং আমরা পাইনি, সুতরাং এ ব্যাপারে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। রায় এলে এবং রায় দেখলে তারপর হস্তক্ষেপ করব।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, তারা স্টে’র জন্য এসেছিলেন। কিন্তু অনারেবল জাজ ইন চেম্বার কোনো আদেশ দেন নাই। বলেছেন যে, জাজমেন্টটা সিগনেচার হয়ে নামার পর সারটিফায়েড কপি নিয়ে যেন তারা রেগুলার লিভ পিটিশন ফাইল করে। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল আছে। আর তাদের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্রামীণ কল্যাণের দুটি রুল খারিজ করে রায় দেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট একই বেঞ্চ এ বিষয়ে রিট খারিজ করে রায় দিয়েছিলেন। পরে ওই রায় প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। কারণ হিসেবে বলা হয়, বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারক এক সময় এসব মামলায় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ কারণে রায়টি প্রত্যাহার করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। এরপর মামলাগুলো শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়।

গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর বাবদ প্রদেয় অর্থের দাবি জানানো হয়। এ দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে পৃথক রিট করে গ্রামীণ কল্যাণ। ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছিল, পাঁচটি করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর বাবদ ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি দাবি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার আদালত

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি কর পরিশোধ করা সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবির বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের পৃথক আবেদন সোমবার কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগেরে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুস সামাদ আজাদ।

পরে আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চেম্বার জজ বললেন- যেহেতু হাইকোর্ট এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ রায় দেননি এবং আমরা পাইনি, সুতরাং এ ব্যাপারে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। রায় এলে এবং রায় দেখলে তারপর হস্তক্ষেপ করব।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুস সামাদ আজাদ বলেন, তারা স্টে’র জন্য এসেছিলেন। কিন্তু অনারেবল জাজ ইন চেম্বার কোনো আদেশ দেন নাই। বলেছেন যে, জাজমেন্টটা সিগনেচার হয়ে নামার পর সারটিফায়েড কপি নিয়ে যেন তারা রেগুলার লিভ পিটিশন ফাইল করে। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল আছে। আর তাদের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্রামীণ কল্যাণের দুটি রুল খারিজ করে রায় দেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট একই বেঞ্চ এ বিষয়ে রিট খারিজ করে রায় দিয়েছিলেন। পরে ওই রায় প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। কারণ হিসেবে বলা হয়, বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারক এক সময় এসব মামলায় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ কারণে রায়টি প্রত্যাহার করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। এরপর মামলাগুলো শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়।

গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর বাবদ প্রদেয় অর্থের দাবি জানানো হয়। এ দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে পৃথক রিট করে গ্রামীণ কল্যাণ। ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছিল, পাঁচটি করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর বাবদ ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি দাবি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।