আমি মরিনি, বারে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছিলাম: ভাইরাল সেই তরুণী
- প্রকাশের সময় : ০৫:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
- / 7
রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে গভীর রাতে দুই যুবকের মাঝে মোটরসাইকেলে অচেতন অবস্থায় বসে থাকা যে তরুণীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল, তিনি থানায় এসে ওই দিনের ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার দাবি, পারিবারিক চাপের কারণে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে একটি বারে গিয়ে মদ পান করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার এক চাচা তাকে সেখান থেকে নিয়ে যান।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরের পর টঙ্গী পশ্চিম থানায় এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই তরুণী এসব কথা বলেন।
ওই তরুণী বলেন, পারিবারিক চাপ নিতে না পেরে আমি বাসা থেকে বের হয়ে যাই। পরে জসীমউদ্দীনের একটি মদের বারে যাই। সেখানে মদ পান করে মাতাল হয়ে যাই। আমাকে কেউ জোর করে মদ খাওয়ায়নি, আমি নিজেই মদ খেয়েছি। পরে আমি অসুস্থ হয়ে যাই। আমার চাচাকে ফোন দিলে তিনি এসে আমাকে নিয়ে যান। গাড়িতে ওঠা পর্যন্ত আমার জ্ঞান ছিল। এরপর আর আমার জ্ঞান ছিল না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ওই তরুণী বলেন, আমার সাবেক স্বামী আমার মারা যাওয়ার তথ্য ছড়িয়েছে। এ জন্যই আমি থানায় এসেছি আপনাদের বলতে—আমি মরিনি।
টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজহার ইসলাম বলেন, মোটরসাইকেলে অচেতন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া ওই তরুণী শনিবার থানায় এসেছিলেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, বোনের সঙ্গে রাগ করে তিনি একটি বারে যান এবং সেখানে মদ পান করে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বোনের বাসায় না নিয়ে এক বন্ধুর বাসায় নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গায় ওই তরুণীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি শুনেই নিজের অবস্থান জানাতে তিনি থানায় এসেছিলেন।
যেভাবে ভাইরাল হয় ভিডিও
গত বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে একটি মোটরসাইকেলে দুই যুবকের মাঝে ওই তরুণীকে বসা অবস্থায় দেখা যায়। তখন তাকে অনেকটা অচেতন বা নিস্তেজ মনে হচ্ছিল। ওমরাহ সফর শেষে বগুড়ায় ফেরার পথে মাদ্রাসাতুল মাদীনা-বগুড়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মনোয়ার হোসেন মোটরসাইকেলটি অনুসরণ করেন। পরে তিনি ওই ঘটনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন। এরপর ছবিগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা ধরনের আলোচনা ও দাবি তৈরি হয়।
























