Dhaka ০২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সোনার দাম ভরিতে কমল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা রাজবাড়ীতে নাট্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও অভিনেতা প্রস্তুতি কর্মসূচির উদ্বোধন মাদক কারবারি ও মূল হোতাদের নিরপেক্ষ তালিকা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৯ থাইল্যান্ডে স্কুলে কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত বেড়ে ৭ নওফেলের বাসভবনে বোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ, আগুন দেওয়ার চেষ্টা আড়িয়াল বিলের কইসহ ৫ প্রজাতির মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে এখনও সরে আসেনি উয়েফা জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের স্বাক্ষর ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ-মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ-মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 14

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না ব্রয়লার মুরগি ও বেশিরভাগ মাছ। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংসের কেজি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাছের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে গরুর মাংসের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাষের মাছের মধ্যে জীবিত পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মান ও আকারভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু সামুদ্রিক ও নদীর মাছের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকারও বেশি।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের মুরগি বিক্রেতা মনসুর আহমেদ বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় মুরগির সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে। তবে সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, পুকুরে চাষ করা মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। বেশি দামে মাছ কিনতে হওয়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের পুঁজির প্রয়োজনও বাড়ছে।

এদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লার মুরগি, পাঙাশ ও তেলাপিয়া নিম্ন আয়ের মানুষের খাবারের অন্যতম ভরসা। এসব পণ্যের দাম বাড়লে সরাসরি তাদের সংসার খরচে চাপ পড়ে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ-মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

প্রকাশের সময় : ১১:২৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না ব্রয়লার মুরগি ও বেশিরভাগ মাছ। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংসের কেজি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাছের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে গরুর মাংসের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাষের মাছের মধ্যে জীবিত পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মান ও আকারভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু সামুদ্রিক ও নদীর মাছের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকারও বেশি।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের মুরগি বিক্রেতা মনসুর আহমেদ বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় মুরগির সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে। তবে সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, পুকুরে চাষ করা মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। বেশি দামে মাছ কিনতে হওয়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের পুঁজির প্রয়োজনও বাড়ছে।

এদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লার মুরগি, পাঙাশ ও তেলাপিয়া নিম্ন আয়ের মানুষের খাবারের অন্যতম ভরসা। এসব পণ্যের দাম বাড়লে সরাসরি তাদের সংসার খরচে চাপ পড়ে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।