বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন জয়নুল আবেদীন
- প্রকাশের সময় : ০৫:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
- / 31
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। একই সভায় বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন এবং বার কাউন্সিলকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। সভায় অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ব্যারিস্টার এম. বদরুদ্দোজা বাদলকে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিনকে ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলনকে ল’ রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান এবং অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারকে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।
এ ছাড়া হাউজ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার মো. নাসির উদ্দিন অসীম নির্বাচিত হয়েছেন।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাউন্সিল সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না। পাশাপাশি বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে চলমান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া অতীতে কোনো কাউন্সিল সদস্য আইনগত প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই অর্থ বার কাউন্সিলের কোষাগারে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বার কাউন্সিলের কোনো সভায় আপ্যায়ন বাবদ তহবিলের অর্থ ব্যয় না করে সদস্যরা পর্যায়ক্রমে নিজ উদ্যোগে এ ব্যয় বহন করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আইনজীবীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিয়মিত এনরোলমেন্ট ও হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আইনজীবীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে।




















