Dhaka ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় মৃত্যু ছাড়াল ৪৩৮, আক্রান্ত ১৪০৬

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / 17

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০৬ জন ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তত ৪৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশটির জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইএনএসপি) জানিয়েছে, গত ১৫ মে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে মৃত্যুহার ৩১ শতাংশের বেশি। সর্বশেষ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর কিসাঙ্গানিতে প্রথমবারের মতো একজন ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ২৪ বছর বয়সী এক গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর পর তার নমুনা পরীক্ষায় ইবোলা শনাক্ত হয়।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, আক্রান্ত ওই নারীর মরদেহ ইতুরি প্রদেশ থেকে গোপনে মোটরসাইকেলে করে কিসাঙ্গানিতে নেওয়া হয়েছিল। প্রায় ১৫ লাখ মানুষের শহর কিসাঙ্গানিতে আক্রান্ত ব্যক্তির মরদেহ অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলার বুন্দিবুগিও প্রজাতি, যার বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে সম্ভাব্য কয়েকটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে সংক্রমণ ইতুরি ছাড়াও উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইবোলা আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর রক্ত, লালা, ঘাম, বমি, মল-মূত্রসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের সংস্পর্শে ছড়ায়। গুরুতর পর্যায়ে রোগীদের শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হতে পারে এবং এ রোগে মৃত্যুহারও অনেক বেশি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় মৃত্যু ছাড়াল ৪৩৮, আক্রান্ত ১৪০৬

প্রকাশের সময় : ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০৬ জন ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তত ৪৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশটির জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইএনএসপি) জানিয়েছে, গত ১৫ মে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে মৃত্যুহার ৩১ শতাংশের বেশি। সর্বশেষ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর কিসাঙ্গানিতে প্রথমবারের মতো একজন ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ২৪ বছর বয়সী এক গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর পর তার নমুনা পরীক্ষায় ইবোলা শনাক্ত হয়।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, আক্রান্ত ওই নারীর মরদেহ ইতুরি প্রদেশ থেকে গোপনে মোটরসাইকেলে করে কিসাঙ্গানিতে নেওয়া হয়েছিল। প্রায় ১৫ লাখ মানুষের শহর কিসাঙ্গানিতে আক্রান্ত ব্যক্তির মরদেহ অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলার বুন্দিবুগিও প্রজাতি, যার বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে সম্ভাব্য কয়েকটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে সংক্রমণ ইতুরি ছাড়াও উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইবোলা আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর রক্ত, লালা, ঘাম, বমি, মল-মূত্রসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের সংস্পর্শে ছড়ায়। গুরুতর পর্যায়ে রোগীদের শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হতে পারে এবং এ রোগে মৃত্যুহারও অনেক বেশি।