আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন: আদালতকে সুব্রত বাইনের মেয়ে
- প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 26
বারবার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথি (৩৫)। তিনি আদালতকে বলেন, এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে দিয়ে মেরে ফেলেন।
শনিবার (২৩ মে) বিথিকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি হয়। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
গত ১৫ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুর রহমান সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে বিথিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৩ মে দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
এদিন শুনানির জন্য তাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।
তিনি বলেন, এ মামলার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছেন।
এ সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন বিথি। তিনি আদালতকে বলেন, এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন। আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। ছাত্রলীগ, যুবলীগের সঙ্গে জড়িত থাকবো কীভাবে? শুধুমাত্র বাবার কারণে আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে। আমার ১৩ বছরের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে। এর আগে আমি একটি মামলায় জামিন পাই। পরে আবার সাজানো মামলা দেয়। বারবার এত মামলা দেওয়ার কারণ কী জানি না।
গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সেদিন বাবাকে দেখতে কারাগারে যাই। সেখান থেকেই আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। বাবা হিসেবে তাকে দেখতে যেতেই পারি। আমি জুলাইয়ের সময় পার্টটাইম জবের জন্য সিলেট গিয়েছিলাম।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাটারা থানাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় সোহেলী তামান্না গুরুতর আহত হন। সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেলী নিজেই বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন।




















