Dhaka ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে আ. লীগের সঙ্গে বৈঠক: সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেন নাহিদ মোবাইল ফোনে গেম খেলার সময় বিস্ফোরণ, আহত ২ ৫০০ টাকা বাজিতে জীবন্ত শালিক খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল কালুখালীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার মোল্লা আর নেই টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৮ ইউনিট ভোলায় ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ দাবির দরকষাকষির ভিডিও ভাইরাল দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

সাপাহারে নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় এগিয়ে হিফজ ও কওমী মাদ্রাসা

নওগাঁ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 237

 

নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা-এ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে হিফজ ও কওমী মাদ্রাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বিনোদপুর দক্ষিণপাড়ায় অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া খাতুনে জান্নাত মহিলা হিফজ ও কওমী মাদ্রাসা ইতোমধ্যে এলাকায় সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানটিতে বিশুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত, হেফজ (মুখস্থকরণ) এবং ধর্মীয় অনুশাসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় ব্যবস্থায় পরিচালিত এ মাদ্রাসা গ্রামীণ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

মাদ্রাসাটি পরিচালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক হাফেজ ও ক্বারী মোঃ মুয়াজ্জম হোসাইন-এর তত্ত্বাবধানে এবং আলেম মুফতি মুসতাকুন্নবী কাসেমী-এর পরামর্শে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত হেফজ সম্পন্ন করার সুযোগ, দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষিকাদের মাধ্যমে পাঠদান এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা।

এখানে বয়স্ক নারীদের জন্য কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি কিতাব বিভাগ ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে প্লে-গ্রুপ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পবিত্র ও পরিপাটি পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে, যা অভিভাবকদের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় কন্যা শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ আবাসিক ব্যবস্থাও রয়েছে, যা ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে ভর্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে গ্রামীণ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সাপাহারে নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় এগিয়ে হিফজ ও কওমী মাদ্রাসা

প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা-এ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে হিফজ ও কওমী মাদ্রাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বিনোদপুর দক্ষিণপাড়ায় অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া খাতুনে জান্নাত মহিলা হিফজ ও কওমী মাদ্রাসা ইতোমধ্যে এলাকায় সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানটিতে বিশুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত, হেফজ (মুখস্থকরণ) এবং ধর্মীয় অনুশাসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় ব্যবস্থায় পরিচালিত এ মাদ্রাসা গ্রামীণ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

মাদ্রাসাটি পরিচালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক হাফেজ ও ক্বারী মোঃ মুয়াজ্জম হোসাইন-এর তত্ত্বাবধানে এবং আলেম মুফতি মুসতাকুন্নবী কাসেমী-এর পরামর্শে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত হেফজ সম্পন্ন করার সুযোগ, দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষিকাদের মাধ্যমে পাঠদান এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা।

এখানে বয়স্ক নারীদের জন্য কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি কিতাব বিভাগ ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে প্লে-গ্রুপ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পবিত্র ও পরিপাটি পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে, যা অভিভাবকদের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় কন্যা শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ আবাসিক ব্যবস্থাও রয়েছে, যা ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে ভর্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে গ্রামীণ নারীদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।