Dhaka ০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান আক্রমণকারীদের হাত থেকে মসজিদ বাঁচানো যুবককে সম্মানিত করল সৌদি জাবিতে সাঈদীসহ তিনজনের স্মরণে শিবিরের দোয়া মাহফিল শেখ মুজিবকে নিয়ে পোস্ট, জাবি ছাত্রদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি ট্রাম্পের পর হোয়াইট হাউসে কে, আলোচনায় কেন আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কোর্তেজ প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে অভিনেত্রী রিধিকার ‌‘আত্মহত্যা’ বেগম জিয়া ছিলেন সবার নেত্রী : জাবি উপাচার্য রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর কালীগঞ্জে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৭০ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার-বিদেশি মুদ্রা

বিবিসি বাংলার কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইলেন ‘সমন্বয়ক’ মাহদী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / 138

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি সংবাদে তার কাছে ৪০ লাখ টাকা সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গত ৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবিরের মাধ্যমে লন্ডনে অবস্থিত বিবিসির মহাপরিচালক টিম ডেভি এবং ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান সম্পাদক মীর সাব্বিরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাহদী হাসান নিজে এই আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিবিসি বাংলা কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদে এবং আমার দাবি অনুযায়ী অন্যায় ও মানহানিকর তথ্যের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই আমি এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি।’

আইনি নোটিশে মাহদী হাসান অভিযোগ করেছেন যে, বিবিসি বাংলা কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে, যা তার ব্যক্তিগত ইমেজ এবং সামাজিক মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। নিজেকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের একজন সম্মুখসারির কর্মী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভিত্তিহীন এই তথ্যের কারণে তিনি সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই সম্মানহানির অভিযোগে তিনি এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

নোটিশে বিবিসি বাংলাকে বিতর্কিত প্রতিবেদনটির বিষয়ে দ্রুত ব্যাখ্যা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার দাবি জানানো হয়েছে। মাহদী হাসান স্পষ্টভাবে আলটিমেটাম দিয়েছেন যে, নোটিশ পাওয়ার পর আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে সন্তোষজনক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে পরবর্তী কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিবিসি বাংলার কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইলেন ‘সমন্বয়ক’ মাহদী

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি সংবাদে তার কাছে ৪০ লাখ টাকা সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গত ৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবিরের মাধ্যমে লন্ডনে অবস্থিত বিবিসির মহাপরিচালক টিম ডেভি এবং ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান সম্পাদক মীর সাব্বিরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাহদী হাসান নিজে এই আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিবিসি বাংলা কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদে এবং আমার দাবি অনুযায়ী অন্যায় ও মানহানিকর তথ্যের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই আমি এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি।’

আইনি নোটিশে মাহদী হাসান অভিযোগ করেছেন যে, বিবিসি বাংলা কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে, যা তার ব্যক্তিগত ইমেজ এবং সামাজিক মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। নিজেকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের একজন সম্মুখসারির কর্মী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভিত্তিহীন এই তথ্যের কারণে তিনি সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই সম্মানহানির অভিযোগে তিনি এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

নোটিশে বিবিসি বাংলাকে বিতর্কিত প্রতিবেদনটির বিষয়ে দ্রুত ব্যাখ্যা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার দাবি জানানো হয়েছে। মাহদী হাসান স্পষ্টভাবে আলটিমেটাম দিয়েছেন যে, নোটিশ পাওয়ার পর আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে সন্তোষজনক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে পরবর্তী কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন।