সংরক্ষিত নারী আসনে যেভাবে নির্বাচন হয়
- প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 133
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সাধারণত এই নির্বাচনে ভোটের জন্য একটি দিন রাখা হলেও ফল আগেই জানা যায়। যেহেতু দলগুলো আনুপাতিক হারে আসন পেয়ে থাকে ফলে দলগুলো সে অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে থাকে। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার দিনই তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে।
সংবিধান অনুসারে বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৫০। এই সংখ্যাকে ৩০০ (দেশের নির্বাচনী এলাকা) দিয়ে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যাবে তাকে কোনো দল বা জোটের যে সংখ্যক সদস্য শপথ নিয়েছেন তা দিয়ে গুণ করলে যে ফল পাওয়া যাবে, সেই সংখ্যক নারী সদস্য হবে ওই দল বা জোটের।
হিসাব অনুযায়ী একটি রাজনৈতিক দলের ৬ জন যদি নির্বাচিত সাংসদ হন, তাহলে ঐ দল থেকে একজন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ হবেন।
যেসব কাজ করেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্যরা
আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। অধিকাংশরাই বিবেচিত হন পারিবারিক রাজনৈতিক বিবেচনায় যদিও এখন ছাত্র নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতোই সুযোগ-সুবিধা এবং অধিকার পেয়ে থাকেন। তবে নির্বাচিতরা যে পরিমাণ বরাদ্দ পেয়ে থাকেন তার তুলনায় সংরক্ষিত আসনে বরাদ্দ অনেক কম দেয়া হয়।
একজন সংরক্ষিত আসনের এমপি জেলার ভিত্তিতে এই মনোনয়ন পেয়ে থাকেন এবং সর্বোচ্চ দু’টি জেলার দায়িত্ব পেয়ে থাকেন।


























