Dhaka ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাইয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবককে মারধর

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 203

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ মোট ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির নির্দেশনার আলোকে গত রবিবার মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলার সব স্কুল ও কলেজে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকরা কোন কোন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, মাউশি থেকে নির্দিষ্ট ১১টি পেশার কথা উল্লেখ করে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত পেশায় নিয়োজিত। সে কারণে শিক্ষকতার পাশাপাশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় যুক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ। এতে শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার ব্যাহত হয়।

নিষিদ্ধ পেশার তালিকায় রয়েছে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাংবাদিকতা, আইন পেশা, কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা, প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা, শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্সের ব্যবসা, হজ এজেন্ট বা হজ কার্যক্রমের বিপণন, বিয়ের কাজী বা ঘটকালী পেশা, টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা, মসজিদের পূর্ণকালীন ইমাম বা খতিবের দায়িত্ব পালন যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে এবং কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োজিত থাকা।

তবে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষকরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ধর্মীয় বা সামাজিক কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই সীমিত পরিসরে হতে হবে এবং কোনোভাবেই যেন মূল শিক্ষাদান কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ মোট ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির নির্দেশনার আলোকে গত রবিবার মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলার সব স্কুল ও কলেজে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকরা কোন কোন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, মাউশি থেকে নির্দিষ্ট ১১টি পেশার কথা উল্লেখ করে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত পেশায় নিয়োজিত। সে কারণে শিক্ষকতার পাশাপাশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় যুক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ। এতে শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার ব্যাহত হয়।

নিষিদ্ধ পেশার তালিকায় রয়েছে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাংবাদিকতা, আইন পেশা, কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা, প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা, শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্সের ব্যবসা, হজ এজেন্ট বা হজ কার্যক্রমের বিপণন, বিয়ের কাজী বা ঘটকালী পেশা, টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা, মসজিদের পূর্ণকালীন ইমাম বা খতিবের দায়িত্ব পালন যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে এবং কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োজিত থাকা।

তবে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষকরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ধর্মীয় বা সামাজিক কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই সীমিত পরিসরে হতে হবে এবং কোনোভাবেই যেন মূল শিক্ষাদান কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটে।