Dhaka ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 82

রাষ্ট্রপতি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যেখানে গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

১ ডিসেম্বর রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। এই অপরাধ জামিন ও আপস অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য যদি কাউকে গ্রেফতার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা হরণ করার পর তা অস্বীকার করেন বা তার অবস্থান গোপন রাখেন এবং এতে ওই ব্যক্তি আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হন, তবে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে। এর শাস্তি যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড। গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে কিংবা পাঁচ বছর পরও উদ্ধার সম্ভব না হলে দায়ী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গুমের স্বাক্ষ্য বা প্রমাণ নষ্ট করা, অথবা গোপন আটককেন্দ্র ব্যবহার বা নির্মাণ করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

অধস্তনদের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা কমান্ডার আদেশ, অনুমতি, সম্মতি বা প্ররোচনা দিলে তিনিও একই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অবহেলা বা তত্ত্বাবধানে ব্যর্থতার কারণেও তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে।

ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার আগ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অবস্থান রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন রাখা যেতে পারে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক হলেও তার অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা যাবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশের সময় : ১০:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রাষ্ট্রপতি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যেখানে গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

১ ডিসেম্বর রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। এই অপরাধ জামিন ও আপস অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য যদি কাউকে গ্রেফতার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা হরণ করার পর তা অস্বীকার করেন বা তার অবস্থান গোপন রাখেন এবং এতে ওই ব্যক্তি আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হন, তবে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে। এর শাস্তি যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড। গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে কিংবা পাঁচ বছর পরও উদ্ধার সম্ভব না হলে দায়ী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গুমের স্বাক্ষ্য বা প্রমাণ নষ্ট করা, অথবা গোপন আটককেন্দ্র ব্যবহার বা নির্মাণ করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

অধস্তনদের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা কমান্ডার আদেশ, অনুমতি, সম্মতি বা প্ররোচনা দিলে তিনিও একই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অবহেলা বা তত্ত্বাবধানে ব্যর্থতার কারণেও তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে।

ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার আগ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অবস্থান রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন রাখা যেতে পারে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক হলেও তার অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা যাবে।