শুরু হয়েও হলো না শুরু, চলতি মৌসুমে অনিশ্চিত সেন্টমার্টিন ভ্রমণ
- প্রকাশের সময় : ১১:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
- / 77
দীর্ঘ নয় মাস বন্ধ থাকার পর প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জন্য আজ ১ নভেম্বর থেকে অনুমতি দেওয়া হলেও কোনো পর্যটকই যাচ্ছেন না দ্বীপে। কারণ, কোনো জাহাজ মালিক এখনো সরকারের অনুমতি নেননি। ফলে দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র সেন্টমার্টিন আজও পর্যটকশূন্যই রয়ে গেছে।
সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকরা কেবল দিনে গিয়ে দিনে ফেরার শর্তে দ্বীপে যেতে পারবেন। গত বছরের মতো এবারও দ্বীপ ভ্রমণে ১২টি সরকারি নির্দেশনা মানতে হবে। এসব শর্ত ও নির্দেশনা মানার জটিলতার কারণেই জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি।
এছাড়া দ্বীপে উঠতে ব্যবহৃত একমাত্র জেটিঘাটের সংস্কারকাজ শেষ না হওয়ায় পর্যটকবাহী জাহাজ ঘাটে ভিড়তে পারছে না।
সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়ার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ‘কর্ণফুলী এক্সপ্রেস’ ও ‘বার-আউলিয়া’ নামের দুটি জাহাজ চালুর কথা ছিল। তবে জাহাজ মালিকরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় শনিবার কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছাড়বে না।
তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো জাহাজ সকাল ৭টায় ছাড়ে, সেটি দ্বীপে পৌঁছায় প্রায় দুপুর ২টার দিকে। একইদিনে যাওয়া-আসা প্রায় অসম্ভব এবং বাস্তবসম্মতও নয়। তার ওপর পর্যটকদের জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও এখনো খোলা হয়নি। ফলে দিনে গিয়ে দিনে ফেরার সিদ্ধান্তে পর্যটকও পাওয়া যাচ্ছে না।”
সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির আহ্বায়ক আবদুর রহমান জানান, দ্বীপে আড়াই শতাধিক হোটেল ও রেস্টহাউজ থাকলেও এখন কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। “গত বছর দেখেছি, দীর্ঘ যাত্রার পর কোনো পর্যটক রাত্রী যাপনে আগ্রহ দেখাননি। হয়তো ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্বল্প পর্যটক আসতে পারেন,” বলেন তিনি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম জানান, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যাতায়াতে অনুমতি নেয়নি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের জারি করা ১২ নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এ কারণে টেকনাফের পরিবর্তে কক্সবাজার শহর থেকেই পর্যটকবাহী জাহাজ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।























