Dhaka ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক পত্নীতলায় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারি আটক বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরাতে আলোচনা চলছে : বিজিবি সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির ২১টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, প্যারিসে এক মাসে গ্রেপ্তার ১ হাজার ২৬০ জন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫ বাজারে ২০০ টাকার টমেটো, কম দামে মিলছে শুধু পেঁপে-মিষ্টিকুমড়া বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ শারদীয় দুর্গাপূজার ষষ্ঠী আজ, দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১ মণ্ডপে আয়োজন দুর্গাপূজায় সীমান্তবর্তী জেলার বাইরে গোপালগঞ্জসহ ৩ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে: শামসুজ্জামান দুদু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 107

আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির নষ্টের শুরু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, অথচ তার দল দাবি করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন। দুদুর দাবি, প্রকৃত কমান্ডাররা আত্মসমর্পণ বা পালিয়ে যান না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাউদকান্দির খন্দকার মোশতাকের পরাজয়ের পর ব্যালট বাক্স ঢাকায় এনে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনা উল্লেখ করেন।

জিয়াউর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করেন।

দুদু বলেন, জিয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু গত ১৫-১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছেন।

জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিল। তারা এখনো জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতির আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াই জরুরি।

দুদু আরও বলেন, জিয়া পরিবার ও শেখ পরিবারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। শেখ পরিবার হচ্ছে “চোরদের পরিবার, ব্যাংক লুটের পরিবার, গণতন্ত্র হত্যার পরিবার”, আর জিয়া পরিবার গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ নির্বাচন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ওলামা দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রফিকুল ইসলাম এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে: শামসুজ্জামান দুদু

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির নষ্টের শুরু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, অথচ তার দল দাবি করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন। দুদুর দাবি, প্রকৃত কমান্ডাররা আত্মসমর্পণ বা পালিয়ে যান না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাউদকান্দির খন্দকার মোশতাকের পরাজয়ের পর ব্যালট বাক্স ঢাকায় এনে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনা উল্লেখ করেন।

জিয়াউর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করেন।

দুদু বলেন, জিয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু গত ১৫-১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছেন।

জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিল। তারা এখনো জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতির আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াই জরুরি।

দুদু আরও বলেন, জিয়া পরিবার ও শেখ পরিবারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। শেখ পরিবার হচ্ছে “চোরদের পরিবার, ব্যাংক লুটের পরিবার, গণতন্ত্র হত্যার পরিবার”, আর জিয়া পরিবার গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ নির্বাচন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ওলামা দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রফিকুল ইসলাম এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।