Dhaka ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রবিবার রাজবাড়ী সফরে আসছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ‘জানার পরও মানুষ ক্ষতির দিকে দৌড়াচ্ছে, এটা বোধহয় শুধু বাংলাদেশেই সম্ভব’ ‘এক ব্যক্তির একাধিক জন্ম নিবন্ধন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ’ রাজবাড়ীতে দৈনিক আইন বার্তার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ৭ জুন পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের স্বার্থ নষ্ট হয়, এমন চুক্তি করবে না সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁয় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে বাড়ি তুলে দিলেন এমপি স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

২৪ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো হ্যারিসন মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / 217

মারা গেছেন জেমস হ্যারিসন।তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রক্তদাতা। তার রক্তের প্লাজমা ২৪ লাখেরও বেশি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি নার্সিং হোমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘুমের মধ্যে হ্যারিসনের মৃত্যু হয়। আজ সোমবার বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।

‘সোনালি বাহুর অধিকারী মানুষ’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন হ্যারিসন। তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি (অ্যান্টি-ডি) ছিল। এই অ্যান্টিবডি এমন ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, যা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। মূলত যেসব মায়ের রক্ত অনাগত শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের শরীরেই এই ওষুধটি দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্লাজমা দানের রেকর্ড করেছিলেন হ্যারিসন।

অ্যান্টি-ডি ইনজেকশন অনাগত শিশুকে ‘হিমোলাইটিক ডিজিজ অব দ্য ফিটাস অ্যান্ড নিউবর্ন’ (এইচডিএফএন) নামে একটি প্রাণঘাতী রক্তজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। এই অবস্থাটি তখনই ঘটে, যখন গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তের লোহিত কণাগুলো শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শিশুর রক্তকণাগুলোকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এগুলোকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি শিশুর জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে শিশুর মারাত্মক অ্যানিমিয়া, হৃদ্‌রোগ, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২৪ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো হ্যারিসন মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

মারা গেছেন জেমস হ্যারিসন।তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রক্তদাতা। তার রক্তের প্লাজমা ২৪ লাখেরও বেশি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি নার্সিং হোমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘুমের মধ্যে হ্যারিসনের মৃত্যু হয়। আজ সোমবার বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।

‘সোনালি বাহুর অধিকারী মানুষ’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন হ্যারিসন। তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি (অ্যান্টি-ডি) ছিল। এই অ্যান্টিবডি এমন ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, যা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। মূলত যেসব মায়ের রক্ত অনাগত শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের শরীরেই এই ওষুধটি দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্লাজমা দানের রেকর্ড করেছিলেন হ্যারিসন।

অ্যান্টি-ডি ইনজেকশন অনাগত শিশুকে ‘হিমোলাইটিক ডিজিজ অব দ্য ফিটাস অ্যান্ড নিউবর্ন’ (এইচডিএফএন) নামে একটি প্রাণঘাতী রক্তজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। এই অবস্থাটি তখনই ঘটে, যখন গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তের লোহিত কণাগুলো শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শিশুর রক্তকণাগুলোকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এগুলোকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি শিশুর জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে শিশুর মারাত্মক অ্যানিমিয়া, হৃদ্‌রোগ, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি