Dhaka ১০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘গ্যাস সংকট কাটাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে’ কালীগঞ্জে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে রামনগর চ্যাম্পিয়ন কালীগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ বেনাপোলে হেরোইনের মামলায় মাদক ব্যবসায়ী মহাসিনের যাবজ্জীবন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে কাজ করছে সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কিশোরীকে ধর্ষণের শাস্তি ৭ বার কান ধরে ওঠবস প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা বালিয়াকান্দিতে ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ স্থাপন কালুখালীতে নবাগত ইউএনও এস এম রেজাউল করিমের যোগদান

২৪ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো হ্যারিসন মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / 231

মারা গেছেন জেমস হ্যারিসন।তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রক্তদাতা। তার রক্তের প্লাজমা ২৪ লাখেরও বেশি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি নার্সিং হোমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘুমের মধ্যে হ্যারিসনের মৃত্যু হয়। আজ সোমবার বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।

‘সোনালি বাহুর অধিকারী মানুষ’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন হ্যারিসন। তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি (অ্যান্টি-ডি) ছিল। এই অ্যান্টিবডি এমন ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, যা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। মূলত যেসব মায়ের রক্ত অনাগত শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের শরীরেই এই ওষুধটি দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্লাজমা দানের রেকর্ড করেছিলেন হ্যারিসন।

অ্যান্টি-ডি ইনজেকশন অনাগত শিশুকে ‘হিমোলাইটিক ডিজিজ অব দ্য ফিটাস অ্যান্ড নিউবর্ন’ (এইচডিএফএন) নামে একটি প্রাণঘাতী রক্তজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। এই অবস্থাটি তখনই ঘটে, যখন গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তের লোহিত কণাগুলো শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শিশুর রক্তকণাগুলোকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এগুলোকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি শিশুর জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে শিশুর মারাত্মক অ্যানিমিয়া, হৃদ্‌রোগ, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

২৪ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো হ্যারিসন মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

মারা গেছেন জেমস হ্যারিসন।তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রক্তদাতা। তার রক্তের প্লাজমা ২৪ লাখেরও বেশি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি নার্সিং হোমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘুমের মধ্যে হ্যারিসনের মৃত্যু হয়। আজ সোমবার বিষয়টি তার পরিবার নিশ্চিত করে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।

‘সোনালি বাহুর অধিকারী মানুষ’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন হ্যারিসন। তার রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি (অ্যান্টি-ডি) ছিল। এই অ্যান্টিবডি এমন ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, যা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। মূলত যেসব মায়ের রক্ত অনাগত শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের শরীরেই এই ওষুধটি দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্লাজমা দানের রেকর্ড করেছিলেন হ্যারিসন।

অ্যান্টি-ডি ইনজেকশন অনাগত শিশুকে ‘হিমোলাইটিক ডিজিজ অব দ্য ফিটাস অ্যান্ড নিউবর্ন’ (এইচডিএফএন) নামে একটি প্রাণঘাতী রক্তজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। এই অবস্থাটি তখনই ঘটে, যখন গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তের লোহিত কণাগুলো শিশুর রক্তের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শিশুর রক্তকণাগুলোকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এবং এগুলোকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি শিশুর জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে শিশুর মারাত্মক অ্যানিমিয়া, হৃদ্‌রোগ, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: বিবিসি