Dhaka ১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের টিকা-চিকিৎসা থাকলেও বাড়ছে হেপাটাইটিসের ঝুঁকি একরামুল হত্যা মামলায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে বঙ্গভবনে আজ প্রথম দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহজালালে বিদেশি এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন সাময়িক স্থগিত রাজবাড়ীতে তথ্য জালিয়াতি করে শিক্ষার্থী ভর্তি ও টিসি প্রদানের অভিযোগ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

নায়িকা বানানোর প্রলোভনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রি

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১
  • / 374

জনতার আদালত অনলাইন ॥ চলচিত্রের নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে শুটিংয়ের নামে তরুনীকে নিয়ে এসে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির দেড় বছর পর উদ্ধার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। ওই তরুনীর কাছে আসা এক ব্যাক্তির মোবাইল ফোন থেকে ৯৯৯ এ ফোন করলে গত শুক্রবার রাতে ওই তরুনীকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। শনিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দা সাত্তার শেখের মেয়ে রিতা বেগম (২৭) ও তার স্বামী কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী থানার বিদ্যুৎপাড়া এলাকার সামছুল আলমের ছেলে সোহেল রানাকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এজাহারে উদ্ধার হওয়া তরুনী জানায়, তিনি অতি দরিদ্র পরিবারে মেয়ে। তিনি ছোট থাকতেই তার মা তার বাবার সংসার ফেলে অন্যত্র বিয়ে করে। ৭বছর আগে এলাকায় তার বিয়ে হয়। স্বামীর বাড়িতে থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির সাথে তার পরিচয় হয়। ওই ব্যাক্তি চলচিত্রে ভালো যোগাযোগ আছে জানিয়ে তাকে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখায়। এর সূত্র ধরে ওই ব্যাক্তি শুটিংয়ের কথা বলে ফুঁসলিয়ে গত বছরের জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে তাকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে রিতা বেগম ও সোহেল রানার নিকট ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। গত শুক্রবার (১৩আগস্ট) তার কক্ষে এক ব্যাক্তি আসে। তাকে সব কিছু খুলে বলে এবং তার কাছ থেকে সে মোবাইল নিয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে উদ্ধারের আকুতি জানায়। এর কিছুক্ষন পরেই গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং আসামীদেরকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, উদ্ধার হওয়া গৃহবধু বাদী হয়ে রিতা বেগম, সোহেল রানা ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে। আসামীদেরকে শনিবার রাজবাড়ীর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নায়িকা বানানোর প্রলোভনে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রি

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ চলচিত্রের নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে শুটিংয়ের নামে তরুনীকে নিয়ে এসে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির দেড় বছর পর উদ্ধার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। ওই তরুনীর কাছে আসা এক ব্যাক্তির মোবাইল ফোন থেকে ৯৯৯ এ ফোন করলে গত শুক্রবার রাতে ওই তরুনীকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। শনিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দা সাত্তার শেখের মেয়ে রিতা বেগম (২৭) ও তার স্বামী কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী থানার বিদ্যুৎপাড়া এলাকার সামছুল আলমের ছেলে সোহেল রানাকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এজাহারে উদ্ধার হওয়া তরুনী জানায়, তিনি অতি দরিদ্র পরিবারে মেয়ে। তিনি ছোট থাকতেই তার মা তার বাবার সংসার ফেলে অন্যত্র বিয়ে করে। ৭বছর আগে এলাকায় তার বিয়ে হয়। স্বামীর বাড়িতে থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির সাথে তার পরিচয় হয়। ওই ব্যাক্তি চলচিত্রে ভালো যোগাযোগ আছে জানিয়ে তাকে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখায়। এর সূত্র ধরে ওই ব্যাক্তি শুটিংয়ের কথা বলে ফুঁসলিয়ে গত বছরের জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে তাকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে রিতা বেগম ও সোহেল রানার নিকট ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। গত শুক্রবার (১৩আগস্ট) তার কক্ষে এক ব্যাক্তি আসে। তাকে সব কিছু খুলে বলে এবং তার কাছ থেকে সে মোবাইল নিয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে উদ্ধারের আকুতি জানায়। এর কিছুক্ষন পরেই গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং আসামীদেরকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, উদ্ধার হওয়া গৃহবধু বাদী হয়ে রিতা বেগম, সোহেল রানা ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে। আসামীদেরকে শনিবার রাজবাড়ীর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।