Dhaka ০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী নতুন ক্লাবে যোগ দিলেন কেপ ভার্দের ভোজিনহা মোদির মন্ত্রিসভার এক সদস্যের পদত্যাগ সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি, বিশেষ অধিবেশন নয় : আইনমন্ত্রী সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত মহেশপুর সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চার গাড়ির সংঘর্ষ, ২ শিক্ষার্থী নিহত বিইএআর সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ভারতের ‘যুদ্ধে জড়ালে খুবই খারাপ হবে’—চীন-রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯
  • / 574


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।