Dhaka ১২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সরকারি ছুটি ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘অফ ডে’ থাকবে না: ত্রাণমন্ত্রী অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের গুঞ্জন, পাত্র কে? নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে আগামী তিন মাস সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এক ভিসায় সৌদি-আমিরাতসহ ৬ দেশ, মধ্যপ্রাচ্যে আসছে ‘শেনজেন’ সুবিধা ফের ডুবল রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রাজধানীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তরবারি-হাসুয়াসহ গ্রেফতার ২ অনলাইনে স্ক্যামিং চক্রের ভয়ঙ্কর ফাঁদ, প্রতারণায় নিঃস্ব অনেকে প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে: নুরুল হক নুর স্ত্রীর মৃত্যুর পর হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা, স্বামী গ্রেফতার

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯
  • / 584


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।