Dhaka ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা ইসির অডিটোরিয়ামে আব্দুল আউয়াল মিন্টু-হাসনাতের বাকবিতণ্ডা জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কৃতি শিক্ষার্থীকে বই উপহার দিয়েছে টিম রাজবাড়ী কালুখালীতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি ‘আমি না বললে এলাকা থেকে বের হতে পারবেন না’ পাম্প কর্মচারী রিপনকে গাড়িচাপায় হত্যার অভিযোগে সুজনসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯
  • / 537


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গোয়ালন্দে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯


জনতার আদালত অনলাইন ॥ গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশ থেকে অবাধে মাটি খনন করায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাঁধের ওই অংশটি। স্থানীয় বাসিন্দা আ. মালেকের ছেলে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এ মটি খনন করে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই স্থানে তার ড্রেজার মেশিনটি বন্ধ করে পাইপ ধ্বংস দেয়া হলেও আবারও তিনি সেখানে বালু তোলা শুরু করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, গোয়ালন্দ পৌর জামতলা হতে রাজবাড়ী শহরগামী বেরিবাঁধ (বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ) সড়কের ছোটভাকলা ইউনিয়নের ডায়নামিক হ্যাচারীজ এলাকায় বাঁধের পাশের খাল হতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে মাটি তোলা হচ্ছে। এভাবে অনেকদিন ধরে বালু তোলায় ওই এলাকায় গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। খালের উত্তর পাশ জুড়ে অনেকটা এলাকার ফসলী জমি ধ্বসে গেছে। দক্ষিণ পাশের বেরিবাঁধের গায়ে বসবাসকারী কয়েকটি দরিদ্র পরিবারসহ বেরিবাঁধ অংশটি ঝুঁকিতে রয়েছে। উত্তোলন করা বালু বেরিবাঁধের নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে মোটা পাইপযোগে বেরিবাঁধের অপর পাশে চুক্তিভিত্তিক জায়গায় ফেলছে। পাশাপাশি ট্রাক যোগেও মটি অন্যত্র নেয়া হয়। এভাবে মাটি ব্যবসায়ী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
আলাপকালে খনন যন্ত্রের কর্মি হিরু মিয়া ও আব্দুল শেখ জানান, আমরা দৈনিক ৪শ টাকার মুজুরীতে এখানে কাজ করি। ব্যবসা মূলত জসিমের। আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক জসিম উদ্দিন দাবী করে বলেন, তিনি বেরিবাঁধের ঢালে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় পুকুর কাটার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বালু তুলছেন। এ কাজে তার প্রশাসনের অনুমোদন আছে।
ছোটভাকলা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে ইউএনও ওখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।